আসন্ন বিধানসভা ভোটের আগে বঙ্গ চষে বেড়াতে পরিবর্তন যাত্রা বের করেছে গেরুয়া শিবির। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে গত ২ মার্চ থেকে তা শুরু হয়েছে। ৬ দিনের এই যাত্রায় দেশের ২২ জন বাছাই করা নেতার শামিল হওয়ার কথা। এছাড়া রাজ্য ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তো রয়েছেই। বৃহস্পতিবার আমতার পাত্রপোলে পরিবর্তন যাত্রায় যোগ দেওয়ার কথা ছিল 'মহাগুরু' মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু তিনি আসতে দেরি করায় ধৈর্যচ্যুতি ঘটে উপস্থিত মহিলাদের। ঘরের কাজ, রান্নাবান্না ফেলে তারকা বিজেপি নেতাকে দেখতে ছুটে এসেছিলেন তাঁরা। দেখতে না পেয়ে রীতিমতো ক্ষোভের সুরে বললেন, 'এর চেয়ে দিদি অনেক ভালো।' এ থেকেই অনুমেয়, পরিবর্তন যাত্রার পরিণতি কী হতে চলেছে। যদিও দুপুরের পর মিঠুন চক্রবর্তী আমতার যাত্রায় শামিল হন।
গত ২ মার্চ হাওড়া-হুগলিতে পরিবর্তন যাত্রার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছিলেন দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। আমতার অমরাগড়ীতে এক অনুষ্ঠান থেকে সেই যাত্রার সূচনা হয়। দোল ও হোলির জন্য দু'দিন তা বন্ধ থাকার পর ৫ তারিখ থেকে পুনরায় তা চালুর কথা। বৃহস্পতিবার পাত্রপোল থেকেই তা পুনরায় শুরুর কথা ছিল। বিজেপির তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী আসার কথা ছিল, তৈরি হয়েছিল জমকালো মঞ্চও। তৈরি ছিল পরিবর্তন যাত্রার রথও। কিন্তু তাল কাটল সময়মতো মিঠুন চক্রবর্তী না আসায়।
দুপুর ১২টা নাগাদ মিঠুন চক্রবর্তীর আসার কথা ছিল। তিনি সময়মতো না আসায় বিজেপির মহিলা কর্মী-সমর্থকরাই ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেন। এমনকী সভাস্থল থেকেই মহিলাদের বলতে শোনা গেল, 'এর চেয়ে দিদি অনেক ভালো'। দীর্ঘক্ষণ রোদের মধ্যে অপেক্ষা করে শেষমেশ মহিলারা সভাস্থল ছাড়তে বাধ্য হলেন মিঠুন চক্রবর্তী আসার আগেই। এই নিয়ে দলীয় নেতৃত্বরাও অনেকেই কর্মকর্তাদের উপরে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
দুপুর ১২টা নাগাদ মিঠুন চক্রবর্তীর আসার কথা ছিল। তিনি সময়মতো না আসায় বিজেপির মহিলা কর্মী-সমর্থকরাই ক্ষোভে ফুঁসতে শুরু করেন। এমনকী সভাস্থল থেকেই মহিলাদের বলতে শোনা গেল, 'এর চেয়ে দিদি অনেক ভালো'। দীর্ঘক্ষণ রোদের মধ্যে অপেক্ষা করে শেষমেশ মহিলারা সভাস্থল ছাড়তে বাধ্য হলেন মিঠুন চক্রবর্তী আসার আগেই।
সবমিলিয়ে ল্যাজেগোবরে দশা বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা। শেষমেষ বারোটা পেরনোর পর মিঠুন চক্রবর্তী পরিবর্তন যাত্রায় আসেন। ততক্ষণে ময়দান অনেকটাই খালি হয়ে গেছে। ক্ষোভে ফুঁসতে ফুঁসতে মহিলাদের অনেকেই বললেন, ''আমাদের অনেকেই রান্না না করে অনুষ্ঠানে চলে এসেছে। কেউ কেউ কাজে না গিয়ে এখানে এসেছে। এখানে মিঠুনকে দেখে ফিরে গিয়ে রান্না করবেন বলে ভেবেছিলেন। কিন্তু দীর্ঘক্ষণ ধরে তাঁদের অপেক্ষা করতে হয়। তাতে তাঁরা যথেষ্ট অসন্তুষ্ট।''
