বিজেপির বিরুদ্ধে বারবার বাঙালি বিরোধিতার অভিযোগ উঠেছে। তা নিয়ে একাধিকবার সরব হয়েছে শাসক শিবির তৃণমূল। কাঁথিতে ভোটপ্রচারে এসে বাঙালি ও বাংলা ভাষা ইস্যুতেই তৃণমূলকে বিঁধলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath)। গত ২০২৪ সালে ফিরহাদ হাকিমের উর্দু বিতর্ককে ভোটের মুখে উসকে দিলেন তিনি।
গত ২০২৪ সালে পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমকে বলতে শোনা গিয়েছিল, "উপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন সংখ্যাগুরু হবেন সংখ্যালঘুরা।" তাঁর এই বক্তব্যের পর থেকেই তৈরি হয় বিতর্ক। ‘সংখ্যাগুরু’ মন্তব্যের নিন্দা করে তাঁরই দল তৃণমূল। এক্স হ্যান্ডলে শাসকদল লেখে, "ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্যের সঙ্গে দলের সম্পর্ক নেই। দল এই মন্তব্যের তীব্র নিন্দা করছে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি, একতা এবং শান্তির প্রতি দলের অঙ্গীকার অটুট। পশ্চিমবঙ্গে সামাজিক বন্ধনকে আঘাত করতে পারে, এমন মন্তব্যের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"
যোগীর খোঁচা, "কলকাতার মেয়র খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছিলেন বাংলার অর্ধেক বাসিন্দা উর্দুতে কথা বলবেন। তার মানে কাঁরা বাংলা ভাষাকে মুছে দিতে চাইছেন। তাঁরা বাঙালির অস্তিত্ব মুছে দিতে চাইছেন। তাঁদের বলুন যাঁরা উর্দু বলতে চান, তাঁরা সে জায়গায় যাক, যেখানে উর্দু বলা হয়।"
এই প্রসঙ্গে যোগীর খোঁচা, "কলকাতার মেয়র খোলাখুলি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছিলেন বাংলার অর্ধেক বাসিন্দা উর্দুতে কথা বলবেন। তার মানে কাঁরা বাংলা ভাষাকে মুছে দিতে চাইছেন। তাঁরা বাঙালির অস্তিত্ব মুছে দিতে চাইছেন। তাঁদের বলুন যাঁরা উর্দু বলতে চান, তাঁরা সে জায়গায় যাক, যেখানে উর্দু বলা হয়।"
এর আগে নরেন্দ্র মোদি ভোট প্রচারে এসে একাধিকবার বাংলা ও বাঙালি ইস্যুতে সুর চড়িয়েছিলেন। বাংলা অস্মিতার কথা মুখে বললেও তৃণমূল আদতে অস্তিত্বে আঘাত হানার চেষ্টা করছে বলেই অভিযোগ তাঁর। সেই একই সুর শোনা গেল যোগীর গলাতেও।
