ভয়মুক্ত ও বাধাহীন পরিবেশে স্বচ্ছ নির্বাচন করতে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে এগোচ্ছে নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। সেই লক্ষ্যেই রাজ্যের প্রতিটি বুথে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের তরফে। এই ব্যবস্থার ফলে প্রতিটি বুথ সরাসরি কমিশনের নজরদারির আওতায় থাকবে এবং কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।
প্রতিটি বুথে ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানানো হয়েছে মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তরের তরফে। এই ব্যবস্থার ফলে প্রতিটি বুথ সরাসরি কমিশনের নজরদারির আওতায় থাকবে এবং কোথাও কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে বলে জানানো হয়েছে।
তবে এই ওয়েবকাস্টিং ঘিরে কিছু মহল ভোটের গোপনীয়তা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে বলেও অভিযোগ কমিশনের। এই প্রসঙ্গে স্পষ্ট বার্তা দিয়ে জানানো হয়েছে, ক্যামেরা কোনওভাবেই ভোটদানের গোপনীয়তা লঙ্ঘন করবে না। কমিশনের বক্তব্য, বুথে বসানো দুই বা কোথাও তিনটি ক্যামেরা শুধুমাত্র আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহার করা হবে। ভোটার কাকে ভোট (WB Assembly Election 2026) দিচ্ছেন, তা কোনওভাবেই রেকর্ড বা প্রকাশ পাবে না। কমিশনের স্পষ্ট আশ্বাস, “আপনার দেওয়া ভোট শুধুমাত্র আপনিই জানবেন।”
বলে রাখা ভালো, বাংলার ভোটে অশান্তি ঘটে না তা একেবারে বলা যাবে না। বোমাবাজি থেকে খুন – এমন নানা বড় ঘটনার সাক্ষী থাকে বহু জায়গা। একুশের নির্বাচনের পর ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগে রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে যায়। বিশেষত, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, মালদহে একাধিক অশান্তির ঘটনা ঘটে। যদিও চব্বিশের লোকসভা নির্বাচন মোটের উপর শান্তিপূর্ণ ছিল। ভোট কিংবা ভোট পরবর্তী হিংসায় একজনেরও প্রাণহানির খবর পাওয়া যায়নি। ছাব্বিশের নির্বাচনে চব্বিশের সেই ধারা বজায় রাখতে তৎপর নির্বাচন কমিশন। আর সে কারণেই ভোটের (WB Assembly Election 2026) কাজে যুক্ত প্রত্যেক আধিকারিকদের একমাত্র কমিশনের নির্দেশমতো কাজ করার কথা বারবার মনে করিয়ে দিয়েছেন জ্ঞানেশ কুমার। কোনও রাজনৈতিক দল কিংবা নেতার নির্দেশে কাজ করলে ওই আধিকারিকদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি। এছাড়া প্রত্যেক পুলিশ সুপারদের কোনও হিংসা দেখলেই কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
