shono
Advertisement
Offbeat

৩০ সেকেন্ডে ১৯৫ বার চুমু! বিশ্বরেকর্ড গড়ে বিশ্বকাপ হারের কষ্ট ভুললেন যুগল, দেখুন ভিডিও

ফুটবলপাগল ব্রাজিলের আপামর জনতার যখন বুক ফাটছে, ঠিক তখনই আসরে নামলেন এই যুগল। তাঁরা বুঝিয়ে দিলেন, ফুটবলাররা গোল করতে না পারলে কী হবে, ভালোবাসার মাঠে তাঁরা ঠিকই গোলপোস্ট কাঁপিয়ে দিতে পারেন!
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 03:34 PM Jul 11, 2026Updated: 03:34 PM Jul 11, 2026

বিশ্বকাপের মাঠ থেকে খালি হাতে বিদায় নিয়েছে দল। কান্নায় ভেঙে পড়েছেন নেইমার-ভিনিসিয়াসরা। ট্রফি তো দূর অস্ত, হেক্সা জয়ের স্বপ্ন আবারও বিশ বাঁও জলে! ফুটবলপাগল ব্রাজিলের আপামর জনতার যখন বুক ফাটছে, ঠিক তখনই আসরে নামলেন এই যুগল। তাঁরা বুঝিয়ে দিলেন, ফুটবলাররা গোল করতে না পারলে কী হবে, ভালোবাসার মাঠে তাঁরা ঠিকই গোলপোস্ট কাঁপিয়ে দিতে পারেন! ফুটবল মাঠের দুঃখ ভুলে, বুট জোড়া তুলে রেখে, তাঁরা মেতে উঠলেন চুমুর খেলায়। আর তাতেই বাজিমাত! মাত্র ৩০ সেকেন্ডে গুনে গুনে ১৯৫ বার চুমু খেয়ে গিনেস বুক ওলটপালট করে দিলেন ব্রাজিলের রেনাতো বায়মা গাইয়া এবং নাইয়ারা রবার্তা রিবেরো দে মারিন্স। আন্তর্জাতিক চুম্বন দিবসে ট্রফি না পাওয়ার সব কষ্ট যেন এক নিমেষে ধুয়ে মুছে গেল এই অভিনব বিশ্বরেকর্ডে!

Advertisement

পেশায় দুজনেই ডাক্তার। করোনা মহামারীর কঠিন সময়ে ফ্রন্টলাইনে দাঁড়িয়ে একসঙ্গে লড়াই করেছিলেন। এবার প্রেমের ময়দানেও জুটি বেঁধে ছক্কা হাঁকালেন। তাঁদের দাবি, তাঁরাই বিশ্বের সেরা যুগল। আর সেই দাবিকে সিলমোহর দিতেই এই অদ্ভুত চ্যালেঞ্জ বেছে নেওয়া। ঠিক কী করলেন তাঁরা? গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের সামনে ৩০ সেকেন্ডে গুনে গুনে ১৯৫টি চুমু খেলেন রেনাতো। তবে নাইয়ারার ঠোঁটে নয়, তাঁর গালেই একের পর এক চুমু আঁকলেন রেনাতো। আর নাইয়ারা? তিনি স্রেফ মিষ্টি হেসে বসে রইলেন। রেনাতোর গায়ে তখন তাঁর প্রিয় ফুটবল দল 'সাও জোসে ই.সি'-র জার্সি।

৩২ বছরের রেনাতো এবং ৩৩ বছরের নাইয়ারা গত দেড় বছর ধরে সম্পর্কে রয়েছেন। তবে রেনাতোর কাছে রেকর্ড গড়াটা নতুন কিছু নয়। তিনি আসলে রেকর্ড ভাঙার নেশাতেই বুঁদ। এর আগেও দ্রুততম সময়ে ১০টি বই সাজানো এবং ফেলে দেওয়ার রেকর্ড রয়েছে তাঁর মুঠোয়। রয়েছে পুরুষদের মধ্যে সবথেকে বেশি পা ঘোরানোর রেকর্ডও। এই নতুন রেকর্ডের পর রেনাতোর দাবি, তিনিই এখন ব্রাজিলের সবথেকে বেশি বিশ্বরেকর্ডের অধিকারী। তবে এবার তিনি একা নন, নিজের রেকর্ড-যাত্রায় সঙ্গী করেছেন প্রেমিকা নাইয়ারাকেও।

তায়কোয়ান্দোতে ব্ল্যাক বেল্ট পাওয়া রেনাতো আসলে একজন 'জিততে চাওয়া' মানুষ। তিনি বোন ম্যারো ডোনার। পাশাপাশি তিনি এডিএইচডি (ADHD)-তে আক্রান্ত। রেনাতো মনে করেন, এডিএইচডি থাকা সত্ত্বেও মানুষ চাইলে সব করতে পারে। এই সাফল্যের পর তাঁরা এখানেই থামতে রাজি নন। এবার তাঁদের লক্ষ্য জাপানের চেরি ইয়োশিতাকে এবং কুমিকো শিরাতোরির এক মিনিটে ২৭৭টি চুমুর রেকর্ডটি ভাঙা। যুগলের কাছে এই রেকর্ড শুধু সংখ্যার খেলা নয়, তাঁদের ভালোবাসা আর জেদের এক অদ্ভুত দলিল।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement