shono
Advertisement

Breaking News

Offbeat News

হাতের ট্যাটুতে কিবোর্ড! অটিস্টিক সন্তানকে অক্ষর চেনাতে অভিনব উদ্যোগ মায়ের

মায়ের হাতের ট্যাটু ছুঁয়ে ছেলে প্রথম লিখল - 'মা'! ভাইরাল ট্যাটুটি দেখেছেন?
Published By: Sucheta SenguptaPosted: 06:51 PM Sep 01, 2026Updated: 06:51 PM Sep 01, 2026

যত আধুনিক যন্ত্রই হোক কিংবা রোবট অথবা হালফিলের জেমিনাই, চ্যাটজিপিটি, মায়ের চেয়ে বড় শিক্ষক কি কেউ আছে? বোধহয় না। আজকের এআই যুগে দাঁড়িয়েও একথা হলফ করে বলা যায়। ভাবছেন, কেন এত জোরের সঙ্গে একথা বলছি? জেসিকা ফ্লেচার নামে এক মায়ের কাহিনি শুনলে একমত হবেন আপনিও। নিজের বিশেষভাবে সক্ষম ছেলের শিক্ষার জন্য তিনি যা করেছেন, সেই গল্প আপাতত নেটদুনিয়ায় ভাইরাল। ছেলের শিক্ষা আর নিজের ফ্যাশন মিলেমিশে এক হয়ে গিয়েছে তাঁর বাহুতে। কুর্নিশ জানাচ্ছেন নেটিজেনরা।

Advertisement

জেসিকা ও তাঁর ছেলে হান্টার।

কী এমন করেছেন জেসিকা? তা জানতে হলে আগে একটু জেসিকার ১১ বছরের ছেলে হান্টারের সঙ্গে আলাপ সারতে হবে। হান্টার ছোটবেলা থেকে বিশেষভাবে সক্ষম, অটিজমে আক্রান্ত। আমাদের মতো স্বাভাবিক শিক্ষণ ক্ষমতা নেই তার। সোজাপথে অক্ষর বা সংখ্যা চিনতে পারে না হান্টার। তাই গোড়া থেকে তার শেখার জন্য বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে অগমেনটেটিভ অ্যান্ড অল্টারনেটিভ কমিউনিকেশন ডিভাইস কিনে দিয়েছিলেন জেসিকা। এটি একটি ট্যাব, যার সাহায্যে ছুঁয়ে ছুঁয়ে নিজের সুবিধামতো পদ্ধতিতে সব শিখে নিচ্ছিল ১১ বছরের অটিস্টিক বাচ্চাটি। কিন্তু একদিন হান্টারের সেই যন্ত্রের ব্যাটারি শেষ হয়ে যায়। তাতেই বিস্তর সমস্যায় পড়ে সে। তাঁর শিক্ষা থমকে যায়। জেসিকা পড়েন মহা চিন্তায়। ন্যাপকিনে কিবোর্ড এঁকে ছেলেকে পড়ানোর চেষ্টা করেছেন কিন্তু তা খুব একটা সফল হননি। অনেক কিছুই বুঝতে পারছিল না হান্টার।

নিজের হাতেই কিবোর্ডের ট্যাটু আঁকিয়ে ফেললেন! শুধু অক্ষর কিংবা যতিচিহ্ন নয়, হাত ভরে তিনি নানা স্মাইলিও আঁকিয়েছেন। খুশি, দুঃখ, রাগ, ভালোবাসা - সবরকম ইমোজি রয়েছে। রয়েছে 'আই লাভ ইউ' লিখে হৃদয়ের চিহ্নও, যাতে ছেলে সব বুঝতে পারে। আরও চমকপ্রদ বিষয় হল, মায়ের হাতে সেই ট্যাটু দেখেই হান্টার প্রথম লিখে ফেলল - এমএএমএ অর্থাৎ 'মামা' অথবা মা!

মায়ের হাতের ট্যাটু দেখে প্রথমে 'মা' লিখল ছেলে!

এরপরই 'ইউরেকা' বলে উঠে পড়েন জেসিকা। নিজের হাতেই কিবোর্ডের ট্যাটু আঁকিয়ে ফেললেন! শুধু অক্ষর কিংবা যতিচিহ্ন নয়, হাত ভরে তিনি নানা স্মাইলিও আঁকিয়েছেন। খুশি, দুঃখ, রাগ, ভালোবাসা - সবরকম ইমোজি রয়েছে। রয়েছে 'আই লাভ ইউ' লিখে হৃদয়ের চিহ্নও, যাতে ছেলে সব বুঝতে পারে। আরও চমকপ্রদ বিষয় হল, মায়ের হাতে সেই ট্যাটু দেখেই হান্টার প্রথম লিখে ফেলল - এমএএমএ অর্থাৎ 'মামা' অথবা মা! তাতে দারুণ খুশি জেসিকা। জানাচ্ছেন, এখন সে মায়ের হাতের ট্যাটু কিবোর্ড টিপেই কথাবার্তা বলছে। এর চেয়ে আনন্দের আর কী-ই বা হতে পারে? কেনই বা নেটিদুনিয়ায় প্রশংসিত হবেন না জেসিকা?

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement