যুদ্ধের আগুনে পুড়ছে গোটা মধ্যপ্রাচ্য। আমেরিকা-ইজরায়েলের যৌথ হানায় মৃত্যু হয়েছে ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের। পালটা আঘাত করেছে ইরানও। যুদ্ধের আগুনে মৃত বহু মানুষ। এবার তার সরাসরি আঁচ পড়ল খেলার মাঠে। ইজরায়েলের ক্ষেপণাস্ত্র আক্রমণে মৃত্যু হল ইরানের ২০ জন মহিলা খেলোয়াড়ের। এতদিন যুদ্ধের জন্য খেলা বন্ধ ছিল। কিন্তু মহিলা খেলোয়াড়দের মৃত্যুর খবরে শোকস্তব্ধ ক্রীড়াবিশ্ব।
জানা গিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি দক্ষিণ ইরানের ফার্স প্রদেশের লামের্দ শহরের একটি জিমনাসিয়ামে গিয়ে পড়ে। একটি প্রতিযোগিতার জন্য ভিতরে অনুশীলন করছিলেন ভলিবল খেলোয়াড়। ছিলেন কোচেরাও। ওই অঞ্চলে চারটি মিসাইল এসে পড়ে। তার মধ্যে একটি গিয়ে পড়ে জিমনাসিয়ামে। তাতেই মৃত্যু হয় ২০ জন মহিলা ভলিবল খেলোয়াড়ের। এছাড়া জিমের মধ্যে শিশুরাও ছিল। তাদেরও মৃত্যু ঘটেছে। মোট আহতের সংখ্যা ১০০-র বেশি। ইরানের সংবাদমাধ্যম 'আল মায়াদিন' বিষয়টা নিশ্চিত করেছে। ভলিবল খেলোয়াড়ের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছে আন্তর্জাতিক ভলিবল ফেডারেশন।
দক্ষিণ ইরানে একটি শিশুদের স্কুলেও আক্রমণ করা হয়। তাতে অন্তত ৮৫ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এখনও পর্যন্ত ইজ়রায়েল ও আমেরিকার হামলার ফলে ৫৫৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত ১৩০টি শহর।
উল্লেখ্য, শনিবার ইরানে হামলা হওয়ার পরই ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলি লক্ষ্য করে বেপরোয়া হামলা শুরু করে তেহরান। দুপুরের পর দুবাইয়ের বিভিন্ন স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যায়। শুধু তা-ই নয়, বিশ্বের সবচেয়ে উঁচু ইমারত বুর্জ খলিফার কাছেও একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে বলে জানা যায়। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে শনিবারই খালি করে দেওয়া হয় বুর্জ খলিফা। আমিরশাহীতে আক্রমণের ফলে অনিশ্চিত সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর ক্রিকেটের ভবিষ্যৎ।
