অলিম্পিকের মঞ্চে প্রথম ভারতীয় হিসাবে ব্যক্তিগত স্বর্ণপদক জিতেছিলেন। তাঁর দৌলতেই অলিম্পিকের মেডেল পোডিয়ামে বেজেছিল ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। সেই অভিনব বিন্দ্রা এবার মুখ খুললেন নিটের প্রশ্ন ফাঁসের প্রতিবাদের আবহে। স্পষ্ট জানালেন, কিছু বিষয় থাকে যা গোটা দেশবাসীরই। যাবতীয় ভেদাভেদ ভুলে গোটা দেশ এই বিষয়গুলোর দ্বারা প্রভাবিত হয়। তবে একেবারে নিরপেক্ষভাবেই নিজের মতামত তুলে ধরেছেন প্রাক্তন শুটার।
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা-সহ একগুচ্ছ দাবিতে দীর্ঘদিন ধরেই দিল্লির যন্তর মন্তরে চলছিল প্রতিবাদ কর্মসূচি। সেখানে যোগ দেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ তথা সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক। অনির্দিষ্টকালের জন্য অনশন শুরু করেন। তারপর ককরোচ জনতা পার্টির ডাকে সোমবার পথে নামেন লক্ষাধিক পড়ুয়া। সংসদ ভবন অভিযানের ডাক দেন। সেই প্রতিবাদ রুখতে নির্বিচারে লাঠিচার্জ, কাঁদানে গ্যাস ছোড়া, মহিলাদের ইচ্ছাকৃতভাবে আঘাত করার মতো নানা অভিযোগ উঠেছে দিল্লি পুলিশের বিরুদ্ধে। সোমবারের পর টানা দু’দিন পথে নেমে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়েছেন প্রতিবাদীরা।
পড়ুয়াদের এই প্রতিবাদ নিয়ে ইতিমধ্যেই একঝাঁক তারকা মুখ খুলেছেন। বিন্দ্রা অবশ্য কারোওর পক্ষ নেননি। এক্স হ্যান্ডেলে লেখেন, 'আমি কোনওদিনই রাজনীতিতে থাকিনি। কিন্তু কিছু বিষয়ের সঙ্গে গোটা দেশ জড়িয়ে থাকে। সেই বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম হল শিক্ষা ব্যবস্থা। দেশের সবচেয়ে বড় শক্তি এটাই। আশা করি আমরা সকলে একজোট হয়ে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে হবে।'
তবে ভারতীয় টেনিসের কিংবদন্তি সানিয়া মির্জা অবশ্য প্রতিবাদীদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। সাফ জানিয়েছেন, 'পড়ুয়াদের কণ্ঠস্বর শোনা দরকার, শিক্ষা ব্যবস্থার সংস্কার করা দরকার। আমাদের সমাজে হিংসার কোনও স্থান নেই। দেশের যুবসমাজের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করতে আমাদের কাজ করতে হবে।' তারকা ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ান অবশ্য আস্থা রাখছেন মোদি সরকারের উপর। এক্স হ্যান্ডেলে তাঁর বার্তা, যুবসমাজই দেশের ভবিষ্যৎ। তাদের স্বপ্নপূরণের পাশাপাশি শান্তি বজায় রাখাটাও জরুরি। তাই সরকারের উপর ভরসা রাখতে হবে।
