অহেতুক খরচ নয়। এশিয়ান গেমসে সব দেশের ক্রীড়াবিদ এবং সাপোর্ট স্টাফ মিলিয়ে ১৫ হাজার জনের বেশি মানুষের জন্য ব্যবস্থা করতে পারবে না জাপান। সাফ জানিয়ে দিলেন আয়োজকরা। যার ফলে সব দেশেকেই অ্যাথলিটদের নামে কাটছাঁট করতে হবে। অলিম্পিক কাউন্সিল অফ এশিয়া ইতিমধ্যেই ভারত-সহ এশিয়াডে অংশ নেওয়া সব দলকে বলে দিয়েছে, অহেতুক টিম বড় করা যাবে না। যতদূর সম্ভব কাটছাঁট করতে হবে অংশগ্রহণকারীদের সংখ্যায়।
এ বছর এশিয়ান গেমস হচ্ছে জাপানের চতুর্থ বৃহত্তম শহর আইচি নাগোয়ায়। আগামী ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে এই টুর্নামেন্ট। চমকপ্রদভাবে এবারও এশিয়ান গেমসের জন্য কোনও গেমস ভিলেজ বানায়নি। কিছু ছোট ঘর এবং একটি বড় জাহাজের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জাহাজটি নাগোয়া বন্দরে নোঙর করা থাকবে। সেখানেই অ্যাথলিটরা থাকবেন। জাপান সাফ জানিয়ে দিয়েছে সব মিলিয়ে ১৫ হাজার জনের বেশির ব্যবস্থা করা সম্ভব নয়। আসলে জাপান সরকার এশিয়ান গেমসের পিছনে অহেতুক বেশি খরচ করতে রাজি নয়। ফলে সব দেশকেই ছোট দল পাঠাতে বলা হচ্ছে।
এই পরিস্থিতিতে সদস্য দেশগুলিকে ওসিএ অনুরোধ করেছে, বাড়তি কাউকে জাপানে পাঠানো যাবে না। নির্ধারিত সংখ্যার বেশি অ্যাথলিট পাঠানো যাবে না। ফলে ভারত সমস্যায় পড়ছে। ভারত ঠিক করতে পারছে না কতজন সাপোর্ট স্টাফ পাঠানো যাবে। এমনকী শেষ মুহূর্তে কোনও অ্যাথলিট সুযোগ পেলে তাঁকেও আর পাঠানো যাবে না।
ইতিমধ্যেই এশিয়ান গেমসের জন্য মোট ৪৯২ জন ক্রীড়াবিদের দল ঘোষণা করেছে ভারত। যাঁদের মধ্যে ২৬৫ জন পুরুষ ও ২২৭ জন মহিলা ক্রীড়াবিদ রয়েছেন। মোট ৩৫টি খেলায় তাঁরা অংশ নেবেন। ট্র্যাক অ্যান্ড ফিল্ডে মোট ৭৩ জন রয়েছেন। যাঁদের মধ্যে ৩৫ জন পুরুষ ও ৩৮ জন মহিলা অ্য়াথলিট রয়েছেন। হকিতে ৪০ জন, শ্যুটিং ও ক্রিকেটের জন্য ৩০ জনের স্কোয়াড ঘোষণা করা হয়েছে। কবাডিতে ২৪, রোয়িংয়ে ২২ জন। এই ৪৫২ জনের খেলা নিয়ে সংশয় নেই। তবে অনেক সময় দেখা যায়, শেষ মুহূর্তে দলে অনেক অ্যাথলিটের নাম যোগ করা হয়। তাঁদের এবার পাঠানো যাবে না। নিয়ম অনুযায়ী, খেলোয়াড়ের সংখ্যার ৩৩ শতাংশ পর্যন্ত হতে পারে সাপোর্ট স্টাফের সংখ্যা। সেই হিসাবে ভারত ১৬২ জন সাপোর্ট স্টাফ পাঠাতে পারবে। কিন্তু সেটা আদৌ সম্ভব কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।
