ডিভোর্সের দু'বছর পর কাদা ছোড়াছুড়ি শুরু হল মেরি কম ও তাঁর প্রাক্তন স্বামী ওনলারের মধ্যে। ক'দিন আগেই তারকা বক্সার অভিযোগ এনেছিলেন, তাঁর নামে থাকা যাবতীয় সম্পত্তি হাতিয়ে নিয়েছেন ওনলার। দেনা মেটাতে সেসব সম্পত্তি বেহাতও করেছেন তিনি। এবার ওনলারের পালটা, বিয়ের ভাঙার ১০ বছর আগে থেকেই পরকীয়ায় জড়িয়েছিলেন মেরি। তাঁদের চ্যাটের প্রমাণও রয়েছে বলে দাবি ওনলারের।
কয়েকদিন আগে মেরি (Mary Kom) বলেন, “আর্থিক বিষয়ে যতদিন মাথা ঘামাইনি ততদিন পর্যন্ত সব ঠিকই ছিল। কিন্তু ২০২২ কমনওয়েলথ গেমসের আগে আমি চোট পাই, তখন আস্তে আস্তে বুঝতে পারি, আমার সম্পত্তি নিয়ে কী চলছে। ওনলার দেনায় ডুবে গিয়েছিল। আমার সমস্ত সম্পত্তি হাতিয়ে নিজের নামে করে নিয়েছিল। সেগুলো বন্ধক দিয়েও ধার করত। সেই দেনা শোধ না করায় আমার সব সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়ে গিয়েছে।" প্রাক্তন বক্সারের আক্ষেপ, স্বামীকে বিশ্বাস করে বিরাট ভুল করে ফেলেছেন তিনি।
মেরির অভিযোগ নিয়ে হইচই শুরু হতেই মুখ খুলেছেন ওনলার। তাঁর কথায়, "২০১৩ সাল থেকেই এক জুনিয়র বক্সারের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়েছিল মেরি। সেই নিয়ে আমাদের বিরাট ঝগড়া হয়। তারপর ২০১৭ থেকে মেরি কম বক্সিং অ্যাকাডেমিতে কর্মরত এক ব্যক্তির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিল। ওদের হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটের প্রমাণও রয়েছে আমার কাছে। কিন্তু তা সত্ত্বেও আমি চুপ করে থেকেছি।" ওনলারের কথায়, তিনি প্রাক্তন স্ত্রীকে ক্ষমা করতে পারেন কিন্তু মেরির কৃত কর্ম কখনই ভুলতে পারবেন না।
মেরির প্রাক্তন স্বামীর মতে, তিনি সন্তানদের মুখের দিকে তাকিয়ে আইনি যুদ্ধে যেতে চান না। কিন্তু সম্পত্তি হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ মেনে নেবেন না তিনি। ওনলার বলছেন, "আমি যে সম্পত্তি হাতিয়ছি বা দেনা করেছি তার প্রমাণ কই? আমার সন্তানদের সঙ্গেও দেখা করতে সমস্যায় পড়ছি।" উল্লেখ্য, ১৮ বছরের বিবাহিত জীবন ছিল মেরি-ওনলারের। গত ২০২৩ সালের ২০ ডিসেম্বর তাঁদের ডিভোর্স হয়। সেসময়ে এত বিতর্ক হয়নি। কিন্তু বিচ্ছেদের ২ বছর পর একে অপরকে কাঠগড়ায় তুলছেন একটা সময় পাওয়ার কাপল বলে পরিচিত মেরি-ওনলার।
