Advertisement
'আমায় বাজারে নামিয়েছেন মমতা', বিস্ফোরক বৈশাখী, অরূপ-অনন্যা 'জুটি' নিয়ে কী বললেন?
বৈশাখীর দাবি অনন্যা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে বলেছিলেন, "হ্য়াঁ আমি নেতা-মন্ত্রীদের খুশি করতে ...।"
শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়, তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে চর্চার অন্ত নেই। সুযোগ পেলেই একাধিক তৃণমূল নেতা নিশানা করেছেন যুগলকে। যদিও তাতে কোনওদিনই পরোয়া করেননি তাঁরা। দু'জনে শক্ত করে ধরে রেখেছেন দু'জনের হাত। এক পর্যায়ে ব্যক্তিগত জীবন গুছিয়ে রাখতে রাজনীতি থেকে নিজেকে সরিয়ে নিয়েছিলেন শোভন। তৃণমূলের এই ভরাডুবির বাজারে তা নিয়েই মুখ খুললেন বৈশাখী।
বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, "আমি চাইনি শোভনকে সকলের সামনে রাখি পরিয়ে পিছনে অন্য সম্পর্ক রাখতে। তাই দু'জনের সিদ্ধান্তে মমতাদিকে সবটা জানিয়েছিল শোভন। এরপর বিধানসভা থেকে শুরু করে সব মিটিংয়ে আমি আলোচনার বস্তু হয়ে গেলাম। আমাকে ঘর থেকে বের করে বাজারে বিক্রি করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। উনি শোভনকে বলেছিলেন, কীরে প্রেম করবি না কাজ করবি?"
বৈশাখীর দাবি, শোভনকে মেয়র পদ থেকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্র করেছিলেন ফিরহাদ হাকিম। এক পর্যায়ে নাকি শোভনকে বলা হয়, দল অথবা বৈশাখীকে বাছতে হবে। সেই কারণেই দলের সঙ্গে দূরত্ব বাড়ান শোভন। সম্প্রতি 'একা' মমতার পাশে দেখা গিয়েছে 'প্রিয় কানন'কে। তা নিয়ে বৈশাখী বললেন, "বাধা দিলে নিজের কাছে ছোট হতাম।"
তৃণমূলের এই ভাঙন নিয়ে ইঙ্গিতে মমতাকেই বিঁধলেন বৈশাখী। বললেন, "আসলে ওনার স্মৃতি খুব দুর্বল। তার মাসুল দিচ্ছেন। একটা দলের এই পরিণতি লজ্জাজনক ও মর্মান্তিক।" স্মৃতির পাতা উলটে বললেন, "উনি আমার সঙ্গে অমানবিক আচরণ করেছেন। শোভনকে সরিয়ে ফিরহাদকে মেয়র করেছেন, যার যোগ্যতাই নেই। ফলে যা হওয়ার তাই হয়েছে। অনেক আগেই ডানা ছাঁটা দরকার ছিল ফিরহাদের। আর ওই দলের কাকে বের করবে, সবাই তো চোর, সবাই নিজের স্বার্থে এসেছিল। তাই স্বার্থ ফুরিয়ে যেতে চলে গেছে।"
এদিন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উত্থান-আধিপত্য নিয়েও মুখ খোলেন বৈশাখী। বলেন, "একটা বাচ্চা ছেলে জন্মদিন পালন করছে, আর দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদরা একটা ছবি তোলার জন্য অপেক্ষা করছেন! এটা দেখলেই আমার খারাপ লাগত। দলটা কর্পোরেট হয়ে গিয়েছে। শোভন আর শুভেন্দুদা আইপ্যাকের বিরোধিতা করেছিল। কোনও লাভ হয়নি। তারপর ওনারা নিজেদের মতো সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।"
অরূপ-অনন্যা জুটি নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বৈশাখী। স্মৃতিচারণা করে তিনি বলেন, "আমাদের অনেক আগে থেকে অরূপ-অনন্যা রংমিলান্তি করতেন। অনন্যা আমার ব্যক্তিগত জীবনে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করছিলেন। আমি বাধা দিই। একটা সিনেমার প্রিমিয়ারে গিয়ে দেখছি অনন্যার আঁচল সরে শোভনের মাথায়। প্রতিবাদ করায় বুক ঠুকে ভয়ংকর কথা বলেছিলেন তিনি।"
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 05:32 PM Jun 21, 2026Updated: 05:32 PM Jun 21, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
