Advertisement
গলা-ঘাড়ে সরাসরি পারফিউম স্প্রে করছেন? বাড়বে PCOD, থাইরয়েডের সম্ভাবনা, সতর্কবাণী বিশেষজ্ঞর
ঘাড় বা গলার ওপর সরাসরি পারফিউম স্প্রে করার অভ্যাস হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট থেকে শুরু করে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রসাধনী ছাড়া সাজগোজ অসম্পূর্ণ। কিন্তু প্রিয় সুগন্ধিই কি আপনার শরীরের বারোটা বাজাচ্ছে? সাম্প্রতিক গবেষণায় উঠে আসছে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য। ঘাড় বা গলার ওপর সরাসরি পারফিউম স্প্রে করার অভ্যাস হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট থেকে শুরু করে ক্যানসারের ঝুঁকি পর্যন্ত বাড়িয়ে দিতে পারে।
পারফিউমে থাকা থ্যালেটস ও প্যারাবেনের মতো রাসায়নিক হরমোনের স্বাভাবিক কাজে বাধা দেয়। এর ফলে শরীরে এন্ডোক্রাইন ডিসরাপশন বা হরমোনের গোলমাল দেখা দিতে পারে।
ঘাড়ের চামড়া খুব পাতলা হয়। সরাসরি এখানে পারফিউম মাখলে রাসায়নিক দ্রুত ভেতরে গিয়ে থাইরয়েড গ্রন্থির ক্ষতি করে। এর ফলে মেটাবলিজম বা বিপাকক্রিয়া ব্যাহত হয়।
সিন্থেটিক মাস্ক এবং ইডিসি (EDC) যুক্ত সুগন্ধি ত্বকের মাধ্যমে সরাসরি রক্তে মিশে যেতে পারে। যা দীর্ঘমেয়াদে শরীরের অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি করে।
পারফিউমে থাকা বারগামট জাতীয় উপাদান সূর্যের আলোর সংস্পর্শে এলে ত্বকে কালচে ছোপ বা পিগমেন্টেশন তৈরি করে। এতে ঘাড়ের ত্বকে অকাল বার্ধক্যের ছাপ পড়ে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করছেন যে, দীর্ঘ সময় ধরে এই রাসায়নিকের সংস্পর্শে থাকলে স্তন ক্যানসার বা প্রস্টেট ক্যানসারের মতো হরমোন-ঘটিত রোগের ঝুঁকি বহুগুণ বেড়ে যেতে পারে।
রাসায়নিক মিশ্রিত সুগন্ধি প্রজনন ক্ষমতায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে পিসিওএস (PCOS) বা ঋতুস্রাবের সমস্যার অন্যতম কারণ হতে পারে এই প্রসাধনী।
সরাসরি ত্বকে প্রয়োগের ফলে অনেকেরই লালচে র্যাশ, চুলকানি বা দীর্ঘস্থায়ী অ্যালার্জি দেখা দেয়। স্পর্শকাতর ত্বকের মানুষের ক্ষেত্রে এই সমস্যা আরও তীব্র হয়।
পারফিউম মাখার পর রোদে বেরোলে ত্বক অতিবেগুনি রশ্মির প্রতি বেশি সংবেদনশীল হয়ে পড়ে। এর ফলে সানবার্ন বা ত্বক পুড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল থাকে।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 07:59 PM Jan 19, 2026Updated: 08:17 PM Jan 19, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
