Advertisement
লাঞ্চের পর অফিসে বসেই ঘুমে ঢুলুঢুলু ভাব? মুশকিল আসান হবে এই ৫ উপায়ে
অফিস-বাড়ি-অফিস, এই চক্রব্যুহেই আটকে চাকুরিজীবীরা। মূলত বেসরকারি সংস্থায় কর্মরতদের সপ্তাহের একটা ছুটির দিন যে কীভাবে কেটে যায়, তা বুঝতেও পারেন না। ফলে কেউ-ই ঠিক মতো বিশ্রাম পান না। রাত কেটে যায় চোখের নিমেষে, পরদিন ফের অফিস। অফিসের শুরুটা ঠিকমতো হলেও লাঞ্চের পর মন যেন একটু বিশ্রাম চায়।
কিন্তু মন চাইলে কী হবে? অফিসে তো আর ভাতঘুম সম্ভব নয়। এদিকে চোখ তো তা মানতে চায় না। পেটে ভাত পড়লেই দু-চোখ যেন আর কোনও কথা শুনতে রাজি হয় না। কেউ কেউ ডেস্কে বসেই খানিকটা ঝিমিয়ে নেন। কেউ আবার ঘন ঘন চা খেয়ে নেন। কিন্তু কোনওটাই কাম্য নয়। চা খাওয়া বেশি স্বাস্থ্যের পক্ষে খারাপ, আর ঝিমুনি বসের নজরে পড়লে একেবারে কেলেঙ্কারি কাণ্ড হওয়া আটকাবে সাধ্যি কার!
কিন্তু জানেন কি অভ্যাসে কিছু বদল আনতে পারলে এই সমস্যা মিটে যেতে পারে ম্যাজিকের মতো। নিমেষে ‘আফটারনুন স্লাম্প’ উধাও হতে বাধ্য। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক কী করলে লাঞ্চ করলেও অফিসে থাকাকালীন রেহাই পাবেন ঘুম থেকে।
আসলে প্রায় সকলকেই কাজ করতে হয় কম্পিউটারে। একটানা স্ক্রিনে চোখ রাখলে স্বাভাবিকভাবেই ক্লান্ত হয়ে পড়ে নার্ভ। ফলে বিশ্রাম চায় ব্রেন। খাওয়াদাওয়ার পর বাড়ে এই প্রবণতা। এক্ষেত্রে প্রথমেই যা করুন, প্রতি ২০ মিনিট অন্তর সামান্য সময়ের জন্য হলেও বিরতি নিন। একটানা তাকিয়ে থাকবেন না স্ক্রিনের দিকে। চোখে ঠান্ডা জলের ঝাপটা দিন।
অনেকসময় দেখা যায় শরীরে জলশূন্যতার কারণে ঘুম পায়। কারণ, শরীরে জলের অভাব তৈরি হলে মস্তিষ্ক বিরতি চায়। সে আর সজাগ থাকতে চায় না। তাই সর্বদা হাতের কাছে রাখুন জল। কাজের ফাঁকে সামান্য করে জল খান। এতে ঝিমুনি তো কাটবেই। তার পাশাপাশি কাজের এনার্জিও পাবেন।
অনেকেই আছেন যারা যারা একবার ডেস্কে নিজের সিটে বসে পড়লেন মানে কিছুতেই আর উঠতে চান না। এটা একেবারেই ঠিক না। ঘুম ঘুম ভাব হলেই সিট ছেড়ে উঠে পড়ুন। সহকর্মীদের সঙ্গে খানিকক্ষণ আড্ডা দিতে পারেন। জরুরি কোনও ফোন করার থাকলে পায়চারি করতে করতে সেটাও সেরে ফেলতে পারেন।
ঘুম কাটাতে অব্যর্থ লেবু বা পিপারমিন্ট জাতীয় জিনিস। ঝিমুনি ভাব এলেই একটু গন্ধ শুঁকে নিন। দেখবেন নিমেষে ঘুম ঘুম ভাব কেটে যাবে। নতুন উদ্যামে ফের কাজ শুরু করতে পারবেন।
এক্ষেত্রে ম্যাজিকের মতো কাজ করে ডিপ ব্রিদিং। কী করবেন? নিজের আসনে সোজা হয়ে বসুন। চোখ বন্ধ করে চার সেকেন্ড গভীর শ্বাস নিন। চার সেকেন্ড শ্বাস নেবেন, ৪ সেকেন্ড ছাড়বেন। দেখবেন নিমেষে ভ্যানিশ হয়ে যাবে ঢুলুঢুলু ভাব।
এই অবস্থাকে বলা হয় সিলিকোসিস, যা একটি স্থায়ী এবং প্রায় অপরিবর্তনীয় ফুসফুসের অসুখ। এই রোগে আক্রান্ত হলে ফুসফুস শক্ত হয়ে যায়, স্বাভাবিকভাবে প্রসারিত হতে পারে না এবং শরীরে অক্সিজেনের প্রবাহ কমে যায়। ফলে রোগীর দৈনন্দিন জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়ে।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 08:01 PM Mar 18, 2026Updated: 11:04 AM Mar 19, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
