Advertisement
পন্টিং থেকে গম্ভীর, আইপিএলের মাঝপথে অধিনায়কত্ব হারিয়েছেন কিংবদন্তিরাও, এবার রাহানের পালা?
অতীতে অধিনায়ক বদলেছে কেকেআর। মরশুমের মাঝপথে নেতৃত্ব হারানোর অভিজ্ঞতা রয়েছে রাহানেরও।
আইপিএলে বেহাল দশা কলকাতা নাইট রাইডার্সের। এ পর্যন্ত একটি ম্যাচেও জিততে পারেনি নাইটরা। একটি মাত্র পয়েন্ট এসেছে সেটাও বৃষ্টির দৌলতে। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্নের মুখে কেকেআরের ম্যানেজমেন্ট। দলের অধিনায়ক বদল নিয়েও জল্পনা শোনা যাচ্ছে।
আসলে শুধু কেকেআরের হয়ে নয়, সার্বিকভাবেই অজিঙ্কে রাহানের আইপিএল অধিনায়কত্বের রেকর্ড বেশ খারাপ। জয়ের তুলনায় হারের সংখ্যাটা অনেকটাই বেশি। অতীতেও মাঝপথে নেতৃত্ব থেকে সরতে হয়েছে তাঁকে। তাছাড়া অধিনায়কত্ব করার সময় ব্যাটার হিসাবেও আহামরি পারফরম্যান্স নেই তাঁর।
একটা সময় রাজস্থান রয়্যালসের নেতৃত্ব দিয়েছেন রাহানে। সেসময় ব্যাটিং ফর্ম নেহাত খারাপ ছিল না। কিন্তু ২০১৯ মরশুমের শুরুটা জঘন্য হয়েছিল কেকেআরের বর্তমান অধিনায়কের। প্রথম ১০ ম্যাচের মধ্যে সাতটিই হারে রাজস্থান। শেষে বাধ্য হয়ে রাহানে সরিয়ে সেসময় অধিনায়ক করা হয় অজি ব্যাটার স্টিভ স্মিথকে। মজার কথা পরবর্তী চার ম্যাচের মধ্যে দুটি জিতে যায় রাজস্থান।
অবশ্য টুর্নামেন্টের মাঝপথে অধিনায়কত্ব হারানোর তালিকাটা নেহাত ছোট নয়। রিকি পন্টিংয়ের মতো কিংবদন্তি অধিনায়ককেও মাঝপথে সরতে হয়েছে। তালিকায় নাম রয়েছে দীনেশ কার্তিক, গৌতম গম্ভীরদেরও। অনেক ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছে অধিনায়ক বদলের পর সাফল্যও পেয়েছে দলগুলি।
সেই ২০০৯ সাল থেকেই অধিনায়ক বদলের প্রথা শুরু হয়েছে। সেবার টুর্নামেন্টের মাঝপথে ক্যাপ্টেন বদলায় রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। কেভিন পিটারসেনের নেতৃত্বে মরশুম শুরু করলেও ৬ ম্যাচ বাদেই খারাপ পারফরম্যান্সের পর তাঁকে সরানো হয়। অধিনায়ক করা হয় অনিল কুম্বলেকে। তারপর মিরাক্যালের মতো বদলে যায় তাঁদের পারফরম্যান্স। সে বার ফাইনালে খেলে আরসিবি।
রিকি পন্টিং। বিশ্বের সর্বকালের অন্যতম সেরা অধিনায়ক। আইপিএলে সাফল্য পাননি তিনিও। ২০১৩ সালে টুর্নামেন্টের শুরুতে পান্টার অধিনায়ক ছিল মুম্বইয়ের। কিন্তু খারাপ পারফরম্যান্সের জেরে তিনি নিজেই সরে যান। রোহিত শর্মাকে নেতৃত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় ম্যানেজমেন্ট। বাকিটা ইতিহাস।
২০১৪ আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের অধিনায়ক ছিলেন শিখর ধাওয়ান। আবারও সেই খারাপ পারফরম্যান্সের জেরেই মাঝপথে দায়িত্ব ছাড়তে হয় তাঁকে। একপ্রকার বাধ্য হয়ে তৎকালীন ওয়েস্ট ইন্ডিজ অধিনায়ক ড্যারেন স্যামিকে অধিনায়ক করা হয়। যদিও সেই মরশুমে বিশেষ সাফল্য আসেনি।
আবারও স্টিম স্মিথের মরশুমের মাঝপথে অধিনায়কত্ব পাওয়ার ঘটনা। এবারও রাজস্থান রয়্যালসেই। ২০১৫ সালে রাজস্থানের অধিনায়ক ছিলেন শেন ওয়াটসন। কিন্তু মরশুমের মাঝপথে চোটের জন্য ছিটকে যান তিনি। অধিনায়ক করা হয় স্মিথকে। সে বছর স্মিথ অধিনায়ক হিসাবে শুরুটা ভালো না করলেও পরে প্লেঅফে যায়।
সালটা ২০১৮। কেকেআরের নেতা হিসাবে চূড়ান্ত সফল হওয়ার পর নিজের রাজ্য দিল্লি ক্যাপিটালসের অধিনায়ক হিসাবে যোগ দেন গম্ভীর। কিন্তু দিল্লিতে সেই সাফল্যের পুনরাবৃত্তি করতে পারেননি তিনি। তাই ৬ ম্যাচ পর নিজেকেই বসিয়ে দেন। অধিনায়ক করা হয় তরুণ শ্রেয়স আইয়ারকে। সে মরশুমে দিল্লি বিশেষ সাফল্য না পেলেও পরের মরশুমেই দলকে ফাইনালে তোলেন আইয়ার।
Published By: Subhajit MandalPosted: 01:56 PM Apr 19, 2026Updated: 01:56 PM Apr 19, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
