Advertisement
সকলের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকতে চান? আজই রপ্ত করুন এই অভ্যেসগুলো
আপনি কি এই কাজগুলো করেন?
আকর্ষণীয় হতে কে না চান। সকলেই চান, তাঁর আচরণ উলটোদিকের মানুষগুলোকে মুগ্ধ করবে নিমেষে। কেউ কেউ মনে করেন সুন্দর করে সাজলেই যে কাউকে আকর্ষণ করা যায়। কিন্তু আদতে কিন্তু তা নয়। গবেষণা বলছে, আকর্ষণীয় ব্যক্তিরা সাধারণত তারাই হন, যাদের নির্দিষ্ট কয়েকটি অভ্যেস রয়েছে।
যে কারও সঙ্গে কথা বলার ক্ষেত্রেই আই কন্টাক্ট অর্থাৎ চোখে চোখ রাখা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই অস্বস্তিকর, পলকহীন চাহনি নয়, বরং এক উষ্ণ, আন্তরিক দৃষ্টি, যা উলটোদিকের মানুষটাকে বলে, 'আমি তোমাকে দেখছি।' গবেষণায় দেখা গিয়েছে, দীর্ঘক্ষণ চোখে চোখ রাখলে অক্সিটোসিন নামক হরমোন নিঃসৃত হয়। যা মানুষকে স্পেশাল ফিল করায়।
হয়তো দীর্ঘদিন আগে দেখা হয়েছে, তা সত্ত্বেও নাম মনে রাখাটা আকর্ষণীয় বিষয়। ডেল কার্নেগি একবার বলেছিলেন, আপনার নাম আপনার নিজের ভাষার সবচেয়ে মধুর শব্দ। যদি উলটোদিকের মানুষটা দেখে আপনি তাঁর নাম মনে রেখেছেন, দীর্ঘদিন পর দেখা হলেও সংকোচ ছাড়াই সম্বোধন করছেন, তা আপনার গ্রহণযোগ্যতা বাড়িয়ে তোলে।
দ্রুত কথা বলা মোটেই ভালো গুণ নয়। বরং ধীর ও ভেবেচিন্তে কথা বলা আত্মবিশ্বাসের লক্ষণ প্রকাশ করে। ক্ষমতাশালী ব্যক্তিরা কখনও তাড়াহুড়ো করে কোনও কথা বলেন না। এরা অন্যের কথা শোনেন, বোঝার চেষ্টা করেন, তারপর নিজের কথা বলেন।
মন খুলে হাসতে হবে। সেটা লোকদেখানো হাসি নয়, বরং সেই আসল, অকপট হাসি। এই নির্ভেজাল হাসি আপনার ব্যক্তিত্বকে আকর্ষণীয় করে তোলে।
কথা বলার জন্য অপেক্ষা না করে, নিজে থেকে আগ্রহ প্রকাশ করুন। যুক্তিযুক্ত প্রশ্ন করুন। 'কেন আপনি এটা করলেন?’-এই প্রশ্ন না করে বলুন, ‘ওহ্, দারুণ তো, আমিও একসময় একই রকম কিছু করেছিলাম...।’
এরা নিজেদের মতামতের গুরুত্ব দিতে জানেন। অকারণে বা অন্যের কথায় প্রাভাবিত হয়ে মতামত বারবার বদল করেন না। তবে ভিন্নমত পোষণ করা মানেই যে বিনয়ী নন তা কিন্তু নয়, বিনয়ের সঙ্গেই নিজের অবস্থান জানান এরা। আর মানুষ মেরুদণ্ড আছে এমন ব্যক্তির প্রতি আকৃষ্ট হয় সর্বদা।
এরা কথোপকথনের সময় স্পর্শ করেন, তবে অবশ্যই তা যথাযথভাবে। কথা বলার সময় বাহুতে হালকা স্পর্শ উষ্ণতা ও সংযোগ তৈরি করে। গবেষণায় ধারাবাহিকভাবে দেখা গিয়েছে, এদের এই স্বভাব উলটোদিকের মানুষটাকে আকর্ষণ করে।
নিজেকে সহজলভ্য করে ফেলবেন না। নিজের জীবন রয়েছে। সেটা ভুললে চলবে না। সর্বদা কেউ ডাকলেই নিজের যাবতীয় কাজ উপেক্ষা করে ছুটে যাওয়া চলবে না। আগে দেখে নিন নিজের কোনও সমস্যা হবে কি না, তারপর অন্যের পাশে দাঁড়ান।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 05:16 PM Apr 15, 2026Updated: 05:16 PM Apr 15, 2026
Sangbad Pratidin News App
খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
