বিয়ে ভালো না খারাপ, তা নিয়ে নানামুণির নানা মত। কেউ কেউ যেমন ভীষণভাবে বিয়ে নামক সামাজিক প্রতিষ্ঠানে বিশ্বাসী, কেউ আবার বিরোধীও। সবকিছুর যেমন ভালো-মন্দ দুই দিক রয়েছে, বিয়ের ক্ষেত্রেও কিন্তু তার অন্যথা হয়নি। গবেষণা বলছে বিয়ে যে শুধু একাকীত্ব দূর করে তা-ই নয়, দীর্ঘমেয়াদী শারীরিক সমস্যা রোধে এর বড় ভূমিকা রয়েছে। ‘ক্যান্সার রিসার্চ কমিউনিকেশনস’ জার্নালে প্রকাশিত তথ্য বলছে, ক্যান্সারের ঝুঁকি কমিয়ে দেয় বিয়ে।
গবেষণাটির প্রধানের দাবি, অবিবাহিতরা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকেন। নিজের যত্ন নেন না। স্বাস্থ্যের অবনতি হলেও তারা বিশেষ গুরুত্ব দেন না। এদিকে বিবাহিতদের ক্ষেত্রে ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপানের সম্ভাবনা কম থাকে। আর এই বিষয়গুলোই ফুসফুস ও জরায়ুর ক্যানসারের মতো রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত।
গবেষণা বলছে, অবিবাহিত পুরুষদের ক্ষেত্রে ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে ৬৮ শতাংশ বেশি। অন্যদিকে অবিবাহিত নারীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি বিবাহিত, ডিভোর্সি বা বিধবাদের তুলনায় আরও বেশি। শতাংশের হিসেবে যা ৮৩। বিশেষজ্ঞদের মতে, এর নেপথ্যে বেশ কয়েকটি কারণ রয়েছে। তারমধ্যে মূল কারণ হল, বিবাহিতরা একটি নিয়মের মধ্যে থাকেন। তাঁদের সাধারণত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়। কারণ, সঙ্গী তাঁর খেয়াল রাখেন। সামান্য শারীরিক সমস্যা হলেও চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। ফলে বড় কোনও সমস্যা তৈরি হওয়ার আগেই তা ধরা পড়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রে।
গবেষণাটির প্রধানের দাবি, অবিবাহিতরা সামাজিকভাবে বিচ্ছিন্ন থাকেন। নিজের যত্ন নেন না। স্বাস্থ্যের অবনতি হলেও তারা বিশেষ গুরুত্ব দেন না। এদিকে বিবাহিতদের ক্ষেত্রে ধূমপান, অতিরিক্ত মদ্যপানের সম্ভাবনা কম থাকে। আর এই বিষয়গুলোই ফুসফুস ও জরায়ুর ক্যানসারের মতো রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, পূর্ববর্তী গবেষণায় বলা হয়েছিল বিবাহ থেকে পুরুষরা বেশি উপকৃত হন। সেখানে এই গবেষণাটি বলছে, নারীরা বিয়েতে অনেক বেশি সুরক্ষা পান। তাই সিঙ্গলহুডকে বিদায় জানিয়ে বিয়ে নামক প্রতিষ্ঠানের অংশ হয়েই দেখুন।
