দিনের একটা বড় সময় কাটে অফিসেই। ফলে সহকর্মীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হওয়া খুব স্বাভাবিক। অনেকেই অফিসেই খুঁজে পান বন্ধু। একইভাবে সহকর্মীর প্রেমে পড়াও কিন্তু খুব স্বাভাবিক ঘটনা। একসঙ্গে কাজ, আড্ডা, গসিপের মাঝে যে কখন মন দেওয়া নেওয়া হয়ে যায়, তা বুঝতেই পারেন না অনেকে। তবে এক্ষেত্রে কয়েকটা সমস্যা থাকেই। যা সামাল দিতে না পারলে বিপদে পড়তে হতে পারে। বুদ্ধির সঙ্গে পরিস্থিতি সামাল দিতে পারলে দিব্য চলবে প্রেম। চলুন আজ জেনে নেওয়া যাক সেগুলো।
১. অনেক সংস্থায় সহকর্মীদের প্রেমের ক্ষেত্রে কড়া নিয়ম থাকে। প্রথমেই সেটা জেনে নেওয়া প্রয়োজন। যদি সম্পর্ক নিয়ে নিজেরা নিশ্চিত হন, তাহলে আগেভাগেই তা এইচআরকে জানিয়ে রাখুন। পরবর্তীতে অন্যভাবে জানাজানি হলে পরিস্থিতি জটিল হতে পারে।
সহকর্মীর সঙ্গে প্রেমের অনুভূতিই আলাদা।
২. যদি প্রেমিক-প্রেমিকার একজন অন্যজনের উর্ধ্বতন হয়ে থাকেন তাহলে অফিসে মেলামেশার ক্ষেত্রে সতর্ক হন। কারণ, অন্য কর্মীদের মনে হতেই পারে যে আপনি পক্ষপাতিত্ব করছেন সঙ্গীর প্রতি। সেটা বেতন বৃদ্ধি হোক বা অন্য যে কোনও ক্ষেত্রে। এই রকম পরিস্থিতি কখনই তৈরি হতে দেবেন না।
৩. সম্পর্ক থাকলে অশান্তি হওয়াও খুব স্বাভাবিক। মতের অমিল, কথা কাটাকাটি লেগেই থাকে। তার প্রভাব যেন কোনওভাবেই কাজে না পড়ে। ভুলেও ব্যক্তিগত সম্পর্কের টানাপোড়েনের কথা অন্য সহকর্মীদের বলতে যাবেন না। তা নিয়ে পরবর্তীতে অফিসেই অপদস্ত হতে হতে পারে।
৪. কোনও সম্পর্কই চিরস্থায়ী নয়। আজ যাকে ছাড়া এক মুহূর্ত ভাবতে পারছেন না, আগামিকাল সে আপনার সঙ্গে নাই থাকতে পারে। তাই কোনও কারণে বিচ্ছেদ হলে বিষয়টাকে স্পোর্টিংলি নিন। মাথায় রাখবেন শেষটা যেন এমন না হয়, যাতে একে অপরের সামনে দাঁড়াতে না পারেন। এতে পেশাদারিত্ব নিয়ে প্রশ্ন উঠতে পারে। তাই বিচ্ছেদের পরও অফিসে আর পাঁচজন সহকর্মীর মতোই আচরণ করুন।
