কখন যে কাকে ভালো লেগে যায়, তা কে জানে! কয়েকদিন আগে জেন জির অধিকাংশই যাদের চিনত না এখন সেই সৌরভ দাসই জাতীয় ক্রাশ! সোশাল মিডিয়ায় তাঁকে দিনভর স্টক করছেন তরুণীরা। ছবি জুড়ে কমেন্টের বন্যা। কেউ লিখছেন, 'আমার রাজনৈতিক ক্রাশ', কেউ লিখছেন, 'হট', কারও চোখে আবার সৌরভ 'কিউট।' আর ককরোচ পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে? তাঁর বাড়িতে যাচ্ছে ভূরি ভূরি বিয়ের প্রস্তাব! কিন্তু জানেন কি কোন জাদুতে জেন জি তরুণীদের মন কাড়লেন সৌরভ-অভিজিৎ (Saurav Das-Abhijeet Dipke)? চেহারা, ব্যক্তিত্ব নাকি অন্যকিছু? 'ককরোচ'দের থেকে আদতে কী চায় তরুণীরা?
ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস।
বিশেষজ্ঞদের কথায়, পুরুষ আর মহিলাদের দৃষ্টিভঙ্গি দু'টি আলাদা বিষয়। যার মধ্যে কোনও তুলনা হতেই পারে না। পুরুষের দৃষ্টিভঙ্গি বরাবর বাহ্যিক রূপের সঙ্গে জড়িয়ে। মেয়েটি সুন্দরী হলেই ছেলেদের প্রেমে পড়ার জন্য তা যথেষ্ট। নারীরা কিন্তু স্রেফ রূপ দেখে প্রেমে পড়ে না। এমনটা নয় যে, মেয়েরা সুদর্শন পুরুষ পছন্দ করেন না। তবে শুধু বাহ্যিক রূপ এক্ষেত্রে ততটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। ইতিহাস ঘাটলে দেখা যায়, বহু ক্ষেত্রেই মহিলারা স্বীকার করেছেন সিক্স-প্যাকের তুলনায় সাধারণ গড়নের পুরুষের সঙ্গে ডেট করতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন তাঁরা।
সৌরভ দাসের প্রতি এই আকর্ষণের আকর্ষণের মূল কারণ কিন্তু তাঁর চেহারা নয়। তাহলে কী? ম্যাজিক রয়েছে সৌরভের ব্যক্তিত্বে। কথা বলার সময় তাঁর আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা, নিজের ভাবনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার ক্ষমতাই আকর্ষণ করেছে তরুণীদের। এখানে তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে মতোবিরোধ থাকতেই পারে। কাউকে পছন্দ করা বা তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার অর্থ কখনই এই নয় যে, ভাবনাচিন্তা বা আদর্শ এক হবে। আসলে মেয়েরা বুদ্ধিদীপ্ত, উদ্যমী ও আবেগপ্রবণ সত্ত্বাকে পছন্দ করে।
ককরোচ জনতা পার্টির মুখপাত্র সৌরভ দাস।
একইভাবে সৌরভ দাসের প্রতি এই আকর্ষণের মূল কারণ কিন্তু তাঁর চেহারা নয়। তাহলে কী? ম্যাজিক রয়েছে সৌরভের ব্যক্তিত্বে। কথা বলার সময় তাঁর আত্মবিশ্বাস ও দৃঢ়তা, নিজের ভাবনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরার ক্ষমতাই আকর্ষণ করেছে তরুণীদের। এখানে তাঁর রাজনৈতিক মতাদর্শের সঙ্গে মতোবিরোধ থাকতেই পারে। কাউকে পছন্দ করা বা তাঁর প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার অর্থ কখনওই এই নয় যে, ভাবনাচিন্তা বা আদর্শ এক হবে। আসলে মেয়েরা বুদ্ধিদীপ্ত, উদ্যমী ও আবেগপ্রবণ সত্ত্বাকে পছন্দ করে। আর ঠিক এই অঙ্কেই আন্দোলনকে সমর্থন না করলেও সৌরভের প্রেমে হাবুডুবু দশা তরুণীদের। তবে ক্রাশ মানে যে তাকে পেতেই হবে, তা কিন্তু নয়। ঠিক যেমন তীব্র গরমের পর ঝোড়ো হাওয়া মন ভালো করে দেয়, তেমনই সৌরভকে দেখেই মেজাজ ফুরফুরে জেন জি তরুণীদের।
ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে।
কার্যত একই অবস্থা অভিজিতের। ইনস্টাগ্রামে দল তৈরি করে রাতারাতি শিরোনামে উঠে এসেছেন অভিজিৎ দীপকে। নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে সরকারের চোখে চোখ রেখে আন্দোলন করেছেন। যার জেরে ইস্তফা দিতে এক প্রকার বাধ্য হয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। এই আন্দোলনের পর অনেক কিছুই হতে পারত, কিন্তু সকলে এখন অভিজিৎকে জামাই করতে চাইছেন। দীপকের মা জানিয়েছেন, ছেলের জন্য বিয়ের প্রস্তাব আগেও আসত। তবে আন্দোলনের পর ভূরি ভূরি প্রস্তাব আসছে বাড়িতে। যা নিয়ে নাজেহাল দশা। পরিবারও চায় এবার বউমা আসুক ঘরে। কিন্তু কী বলছেন অভিজিৎ? তাঁর কথায়, "পড়াশোনা শেষ করে আগে আয় করি, না হলে বিয়ে করব কী করে?"
