এক-দু'বছর নয়। টানা এগারো বছর। স্বামীর সঙ্গে দৈহিক মিলনে অর্গ্যাজম হয়নি তাঁর। কিন্তু এরপরই তিনি আবিষ্কার করেন শরীরে তিরতির বইছে সুখের ঝরনা! কীভাবে সম্ভব হল এই অসম্ভব? জানিয়েছেন সুজান ব্র্যাটন। তিনি নিজেই এখন একজন যৌনতা বিশেষজ্ঞ। এবং তাঁর এই কেরিয়ারের সূচনাই হয় নিজেকে দিয়ে।
'উই নিড টু টক' পডকাস্টে উপস্থাপত পল সি ব্রুনসের সঙ্গে কথা বলছিলেন সুজান। আর সেখানেই তিনি জানান, তাঁর যৌনজীবন কেমন ছিল। তাঁর কথায়, ''বিয়ের পর থেকে একবারও অর্গ্যাজম হয়নি আমার। ১১ বছর ধরে স্বামীর সঙ্গে যৌনতা করার পরও হয়নি। এরপর থেকেই আমি ব্যাপারটা এড়িয়ে চলতাম, কারণ আমার লাভ কিছুই হত না। আমার মনে হয়েছিল আমার কোনওদিনই ওই অভিজ্ঞতা হবে না। এমনকী আমার স্বামীও তাই মনে করত।''
কিন্তু এরপর সুজান নিজেই ভাবনাচিন্তা করে যৌন অভিজ্ঞতায় পরিবর্তন আনেন। আর তাতেই ঘটে যায় 'ম্যাজিক'! এখন দিনে অন্তত একবার অর্গ্যাজম হয়েই থাকে সুজানের। তাঁর মতে, যে পদ্ধতিতে তিনি এই ব্যাপারটা ঘটিয়ে ছাড়লেন তা অন্যদের জন্যও অনুসরণযোগ্য!
কী কী পরিবর্তন করেছিলেন সুজান? ৬৪ বছরের বৃদ্ধা জানাচ্ছেন, প্রথমেই তিনি যেটা করেছিলেন সেটা হল স্বামীর সঙ্গে খোলামেলা কথোপকথন। তিনি যৌনতা ঠিক কীভাবে চান সেটা যেমন জানিয়েছিলেন, স্বামীও বলেছিলেন তিনি কী চান। বিষয়টা সহজ ছিল না। কিন্তু ধীরে ধীরে আলোচনার মধ্যে দিয়ে বেরিয়ে আসে প্রকৃত চাহিদার ছবিটা।
সুজান জানাচ্ছেন, তাঁরা ঠিক করেছিলেন প্রতিদিন যৌনতার সময় অন্তত একটা নতুন কিছু করবেন। হতে পারে কোনও নতুন পজিশন কিংবা অন্য কিছু। আর ব্যাপারটা শুরু হতেই তাঁর শরীরের মধ্যে যেন জেগে ওঠে কিশোরী বয়সের রোমাঞ্চ। শরীরী খেলায় এক অন্য মজা খুঁজে পান তিনি। সেই সঙ্গেই সুজানের মন্তব্য, ''এবং সেই নতুন ব্যাপারটা অন্তত তিনবার ট্রাই করতে হয়। প্রথম দু'বার ততটা মজা না হলেও তৃতীয়বারে ব্যাপারটা দারুণ ভাবে আয়ত্তে চলে আসবে।''
পাশাপাশি যৌনতার 'চিত্রনাট্যে' পরিবর্তন এনেও মিলেছে সাফল্য। সুজান জানাচ্ছেন, চেনা ছবিগুলো বদলানো দরকার। প্রয়োজনে শুরুতে ফোরপ্লে নয়, বরং স্রেফ কথায় কথায় উত্তেজক সংলাপ বিনিময় করা যেতে পারে। এতে শরীরে জাগবে এক নতুন ধরনের হিল্লোল। যা ক্রমশ সঙ্গমের পথই প্রশস্ত করবে। তবে একেবারে ভিন্ন ভাবে। এরই সঙ্গে সুজান জানিয়েছেন, নিয়মিত কোকো খেয়েও উপকার পেয়েছিলেন তিনি ও তাঁর স্বামী। কেননা এতে দীর্ঘক্ষণ লিঙ্গের কাঠিন্য বজায় থাকে। পাশাপাশি যোনিপথে রক্ত সঞ্চালনও বাড়ে।
