ক্যালেন্ডারের পাতায় ফেব্রুয়ারি মানেই বাতাসে প্রেমের শিরশিরানি। শহরজুড়ে গোলাপের সুবাস। ভ্যালেন্টাইনস সপ্তাহের প্রথম দিন ‘রোজ ডে’ (Rose Day) দিয়ে শুরু হচ্ছে উদযাপনের পালা। তবে বর্তমান প্রজন্মের কাছে প্রেম নিবেদনের সংজ্ঞাটা শুধু একটা লাল গোলাপে আর আটকে নেই। গোলাপের পাপড়ির সঙ্গে এখন অনেকেই খুঁজছেন এমন কিছু যা আজীবন আগলে রাখা যায়।
ফাইল ছবি
দামি উপহারের চেয়ে এখনকার তরুণ-তরুণীদের ঝোঁক বেশি ‘পার্সোনালাইজড’ উপহারের দিকে। আপনার পছন্দের মানুষের নাম বা প্রিয় মুহূর্তের ছবি দিয়ে তৈরি কাস্টমাইজড মগ, ফটো ফ্রেম কিংবা ফটো ল্যাম্প এখন বেশ জনপ্রিয়। ডিজিটাল যুগে হাতে লেখা চিঠির আবেদন আজও কমেনি। একটি সুন্দর ডায়েরিতে পুরনো ছবির অ্যালবাম বানিয়ে উপহার দিলে তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকে নিবিড় আবেগ। স্মরণীয় হয়ে থাকবে বিশেষ দিনটি।
বাজারচলতি দামি পারফিউম বা গয়নার চেয়েও নিজের হাতে বানানো কার্ড কিংবা DIY ছোট কোনও শোপিস অনেকের কাছে বেশি স্পেশাল। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নিজের সময় ব্যয় করে তৈরি উপহার ভালোবাসার গভীরতা বাড়িয়ে দেয় কয়েক গুণ।
উপহার মানেই যে তা কোনও বস্তু হতে হবে, এমনটা নয়। অনেক দম্পতি এখন ‘এক্সপেরিয়েন্স গিফট’-এ বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করছেন। হতে পারে তা কোনও রোমান্টিক ডিনার ডেট কিংবা শহরের ভিড় ছাড়িয়ে কিছুটা নির্জনে কাটানো সময়। এমনকী একসাথে প্রিয় কোনও সিনেমা দেখা বা হাতে হাত রেখে গঙ্গার ধারে হাঁটাও হয়ে উঠতে পারে সেরা রোজ ডে গিফট।
ফাইল ছবি
ডিজিটাল দুনিয়ায় দূরত্ব মিটিয়ে দিচ্ছে প্রযুক্তি। ভিন রাজ্যে থাকা সঙ্গীকে পাঠাতে পারেন ভিডিও মেসেজ বা স্পটিফাই-এর কাস্টম প্লেলিস্ট। কিউআর কোড স্ক্যান করলেই বেজে উঠবে আপনাদের প্রিয় কোনও গান— এমন সৃজনশীলতা এখন ইন-থিং।
উপহারের দাম দিয়ে ভালোবাসা বিচার করা যায় না। গোলাপ একটি প্রতীক মাত্র। অন্তরের নিবিড় অনুভূতির প্রকাশই রাঙিয়ে তুলবে আপনার এই বিশেষ দিনটিকে। বাড়বে প্রেমের সুবাস। জীবনের অ্যালবামে দলিল হয়ে থাকবে মুহূর্ত।
