shono
Advertisement
Kanwar

শ্রাবণ মাসের কাঁওয়ার যাত্রায় বিশেষ নজর নবান্নর, যাত্রাপথেই পুণ্যার্থীদের ফুট মাসাজের সুযোগ

'বিশেষ সেবা শিবিরে' থাকবে ব্যথা উপশমকারী স্প্রে এবং মরশুমি ফল, ভেজানো ছোলা, গুড়, বাতাসা।
Published By: Tiyasha SarkarPosted: 02:00 PM Jul 07, 2026Updated: 02:00 PM Jul 07, 2026

শ্রাবণ মাসে তারকেশ্বর, জল্পেশ ও দেওঘরগামী কাঁওয়ার যাত্রায় লক্ষাধিক ভক্তের সমাগমের কথা মাথায় রেখে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিকে প্রস্তুতির নির্দেশ দিল নবান্ন। হুগলি, জলপাইগুড়ি, পূর্ব ও পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসকদের নির্দেশ পাঠিয়ে নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল তীর্থযাত্রা নিশ্চিত করতে একাধিক পদক্ষেপের কথা বলা হয়েছে। সব থেকে বেশি নজর দিতে বলা হয়েছে, তীর্থযাত্রীদের পায়ের দিকে। নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, তীর্থপথে প্রায় প্রতি ৫ কিলোমিটার অন্তর 'বিশেষ সেবা শিবির' (ফেসিলিটেশন ক্যাম্প) তৈরি করতে হবে। সেখানে ক্লান্ত তীর্থযাত্রীদের জন্য পায়ের পরিচর্যা, মাসাজের ব্যবস্থা অবশ্যই রাখতে হবে। তা ছাড়া ব্যথা উপশমকারী স্প্রে এবং মরশুমি ফল, ভেজানো ছোলা, গুড়, বাতাসা-সহ হালকা পুষ্টিকর খাবার সরবরাহেরও পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

নবান্ন সূত্রে খবর, প্রতিটি জেলার জন্য পৃথক কর্মপরিকল্পনা তৈরি করা হচ্ছে। প্রতিটি সেবা শিবিরে পানীয় জল, পরিচ্ছন্ন শৌচাগার, প্রয়োজন অনুযায়ী মোবাইল টয়লেট, প্রাথমিক চিকিৎসা, জরুরি স্বাস্থ্য পরিষেবা, ওআরএস, অ্যাম্বুল্যান্স পরিষেবা, বিশ্রামের জন্য ছাউনি এবং পর্যাপ্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার ব্যবস্থা রাখতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া জনসমাগম নিয়ন্ত্রণ, নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা, পাবলিক অ্যাড্রেস সিস্টেম, অগ্নি নিরাপত্তা, জরুরি পরিষেবা এবং নিরবচ্ছিন্ন নাগরিক পরিষেবা নিশ্চিত করার উপরও জোর দেওয়া হয়েছে। নবান্নের এক আধিকারিকের কথায়, এই ব্যবস্থাপনার জন্য জেলা প্রশাসনকে পুলিশ, স্বাস্থ্য দপ্তর, জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তর, পূর্ত দপ্তর, পঞ্চায়েত ও পুরসভা, পরিবহণ দপ্তর, বিদ্যুৎ দপ্তর, বিপর্যয় মোকাবিলা, দমকল, মন্দির কর্তৃপক্ষ এবং স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলির সঙ্গে আগাম সমন্বয় বৈঠক করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এছাড়া তীর্থপথে যানজট এড়ানো, পার্কিং, পথচারীদের নিরাপদ চলাচল ও জরুরি যানবাহনের চলাচল নির্বিঘ্ন রাখতে বিশেষ ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। শিবিরগুলির অবস্থান ও পরিষেবা সম্পর্কে সাইনবোর্ড, মাইকিং, করে ব্যাপক প্রচারের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি জেলাশাসকদের ব্যক্তিগতভাবে গোটা ব্যবস্থার তদারকি করার নির্দেশ দিয়েছে নবান্ন। শ্রাবণী মেলার প্রস্তুতি ও গৃহীত পদক্ষেপের অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট (এটিআর) দ্রুত রাজ্য সরকারের কাছে পাঠানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement