যত সময় যাচ্ছে এআই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ হয়ে উঠছে। নিত্য সমস্যার সমাধানে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তারই দ্বারস্থ হন বহু মানুষ। আর এর মধ্যে চ্যাটজিপিটির জনপ্রিয়তা একটা অন্য স্তরে পৌঁছে গিয়েছে। যত সময় যাচ্ছে নিজেকে আরও আপডেট করে 'নতুন' হয়ে উঠছে চ্যাটজিপিটি। ২০২৬ সালে এই চ্যাটবটের সাহায্যে এমন বহু জরুরি কাজ করানো যায়, যা অনেক সময়ই ইউজাররা খেয়াল করেন না। তারই কয়েকটির কথা এখানে জেনে নেওয়া যাক।
চটজলদি উত্তরের খোঁজ না করে, সুশৃঙ্খল গবেষণার কাজে চ্যাটজিপিটিকে ব্যবহার করুন। জটিল বিষয় সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করতে, 'সোর্স'-এর উল্লেখ (ইন্টারনেট সংযোগ থাকতে হবে)-সহ তথ্যপ্রদান করায় দক্ষ চ্যাটজিপিটি। শিক্ষাসংক্রান্ত কাজ, প্রযুক্তির বিভিন্ন দিক আলোচনা ও বিশ্লেষণ করতে এর জুড়ি নেই।
পাশাপাশি পিডিএফ কিংবা অন্য যে কোনও ধরনের নথি বিশ্লেষণ চোখের নিমেষে করে দিতে পারে চ্যাটজিপিটি। আপলোড করে দ্রুত সারাংশ, মূল বিষয়গুলো খুঁজে বের করতে অথবা বিষয়বস্তুর ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দিতে বলুন। এমনকী, একাধিক নথির মধ্যে তুলনা করে পার্থক্যগুলোও তুলে ধরতে পারে চ্যাটজিপিটি। এবং সেটা চোখের নিমেষে। ফলে দীর্ঘ সময় ধরে নিজে পড়ে তথ্য খোঁজার পরিশ্রম ও সময় বাঁচে। এছাড়াও চ্যাটজিপিটি হাতে লেখা নোট, ডায়াগ্রাম, স্ক্রিনশট, ছবি ইত্যাদিও ব্যাখ্যা করতে পারে। কোনও লেখচিত্র ব্যাখ্যা করার কাজও অনায়াসে করে দেয় চ্যাটজিপিটি।
'মেমরি' যদি সক্রিয় করা থাকে তাহলে এক ধরনের নির্দেশ বারবার দিতে হয় না। আপনার চ্যাটবট মনে রেখে দেবে আপনার লেখার ধাঁচ, ভঙ্গি ইত্যাদি। ফলে তার সঙ্গে সহজেই যোগাযোগ করা সম্ভব। আপনার সারাদিনের কাজকম্মোর যে কোনও অংশ নিয়েই সাহায্য করতে পারে চ্যাটজিপিটি। সোজা কথায়, সারাদিনের কাজের তালিকা করে দিয়ে কোনটা আগে, কোনটা পরে করবেন, মেলের রিপ্লাই খসড়া তৈরি করার মতো নানা কাজই করে দেবে চ্যাটজিপিটি। কোনও ব্যবসা করতে চাইছেন, তার প্ল্যানও বানিয়ে দেবে। এককথায়, ঠিকমতো প্রম্পট করতে পারলে চ্যাটজিপিটি আপনার সর্বক্ষণের সঙ্গী হয়ে উঠতে পারে।
