shono
Advertisement

জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা পুনর্বিন্যাসকে চ্যালেঞ্জ করে মামলা সুপ্রিম কোর্টে, কী বলল শীর্ষ আদালত?

সদ্যই সীমানা পুনর্বিন্যাস করে কাশ্মীরে বাড়ানো হয়েছে হিন্দু অধ্যুষিত বিধানসভা।
Posted: 05:23 PM May 14, 2022Updated: 05:23 PM May 14, 2022

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা পুনর্বিন্যাস (J&K Delimitation Report) খসড়ায় স্থগিতাদেশ নয়। বিধানসভা পুনর্বিন্যাসের সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ করে করা মৌখিক আবেদন খারিজ করে দিল সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের সাফ কথা, সংসদে কোনও খসড়া প্রকাশে বাধা দিতে পারে না শীর্ষ আদালত। তাছাড়া জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা পুনর্বিন্যাস প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে প্রায় ২ বছর আগে। তাহলে আবেদনকারীরা, দু’বছর পর কেন আবেদন করছেন, প্রশ্ন তুলেছে শীর্ষ আদালত (Supreme Court)।

Advertisement

সদ্যই জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা পুনর্বিন্যাসের চূড়ান্ত খসড়া প্রকাশিত হয়ছে। শীঘ্রই এই খসড়া পেশ করা হবে সংসদেও। সেটাকেই চ্যালেঞ্জ করে শীর্ষ আদালতে মামলা দায়ের করেন দুই ব্যক্তি। মামলাকারীদের দাবি ছিল সংবিধানের ১৭০ ধারা অনুযায়ী ২০২৬ সালে গোটা দেশেই সীমানা পুনর্বিন্যাস করার কথা। তাহলে আলাদা করে কাশ্মীরে (Kashmir) আগেভাগে সীমানা পুনর্বিন্যাস করা কেন? কিন্তু আদালত সেই আরজি খারিজ করে পালটা প্রশ্ন করে,”আমরা কোনও খসড়া সংসদে পেশ হওয়া থেকে বাধা দিতে পারি কী? তাছাড়া এই পুনর্বিন্যাসের বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ করতে আপনারা এতটা সময় লাগিয়ে দিলেন কেন?”

[আরও পড়ুন: কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ ত্রিপুরা পুলিশের, আদালতে হাজিরার নির্দেশ]

মামলাকারীদের আরও একটি অভিযোগ ছিল, কেন্দ্র একতরফাভাবে কাশ্মীরে সীমানা পুনর্বিন্যাসের বিজ্ঞপ্তি দিয়ে নির্বাচন কমিশনের অধিকারে হস্তক্ষেপ করেছে। যদিও মামলাকারীদের দাবি নিয়ে কেন্দ্র, কাশ্মীর প্রশাসন এবং নির্বাচন কমিশনের জবাব চেয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। আগামী ৬ সপ্তাহের মধ্যে হলফনামা আকারে নিজেদের অবস্থান জানানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এই তিন পক্ষকে।

[আরও পড়ুন: শাস্তির মুখে পড়তেই দল ছাড়লেন সুনীল জাখর, বড় ধাক্কা কংগ্রেসের]

উল্লেখ্য, ২০১৯ সালের আগস্টে ৩৭০ ধারা বাতিল করে জম্মু ও কাশ্মীরকে ভেঙে দেওয়া হয় দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে- জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ (Ladakh)। এরপরই নিশ্চিত হয়ে যায়, সংবিধানের নিয়ম মেনে এবার এখানকার লোকসভা ও বিধানসভার আসনেরও পুনর্বিন্যাস করতে হবে। প্রায় আড়াই বছর পরে চলতি মাসের শুরুতেই জম্মু ও কাশ্মীর পুনর্বিন্যাস খসড়া প্রস্তুত করেছে সরকারের তৈরি করা কমিটি। এর আগে জম্মু ও কাশ্মীর যখন রাজ্য ছিল, তখন সব মিলিয়ে এখানকার বিধানসভায় আসনসংখ্যা আগে ছিল ১১১টি। যার মধ্যে পাক অধিকৃত কাশ্মীরে ছিল ২৪টি আসন। লাদাখে ছিল ৪টি। জম্মু ও কাশ্মীর মিলিয়ে ছিল ৮৩টি আসন। আসন পুনর্বিন্যাসের ফলে তা দাঁড়িয়েছে ৯০টি। যার মধ্যে জম্মুতে আসন দাঁড়িয়েছে ৪৩টি। কাশ্মীরের আসন দাঁড়িয়েছে ৪৭টি। নয়া বিন্যাসে জম্মুতে আসন বেড়েছে ৬টি। কাশ্মীরে বেড়েছে ১টি। কাশ্মীরের ১টি আসন জম্মুতে চলে গিয়েছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement