shono
Advertisement
Assam

নেই চোখ, রংহীন শরীর! কুয়ো খুঁড়তে গিয়ে প্রাগৈতিহাসিক মাছের হদিশ অসমে

আজব মাছের দেখা মিলল অসমে। আরও অবাক করা বিষয় হল, মাটির অনেক গভীরে কুয়োর মধ্যে খোঁজ মেলা এই মাছের সঙ্গে নাকি মিল রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মাছের।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:12 PM Apr 29, 2026Updated: 05:12 PM Apr 29, 2026

আজব মাছের দেখা মিলল অসমে। আরও অবাক করা বিষয় হল, মাটির অনেক গভীরে কুয়োর মধ্যে খোঁজ মেলা এই মাছের সঙ্গে নাকি মিল রয়েছে প্রাগৈতিহাসিক যুগের মাছের। অসমের গোয়ালপাড়া জেলায় নজরে আসা এই মাছকে কেন্দ্র করে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। 'গিটচাক নাকানা' নামে দৃষ্টিশক্তিহীন ভূতুড়ে এই মাছকে নিয়ে বিস্ময়ের অন্ত নেই।

Advertisement

গবেষকদের মতে, এই মাছটির গঠন ও বাসস্থান অত্যন্ত ব্যতিক্রমী। জানা যাচ্ছে, কুয়ো খননের সময় জল পাম্প করে তুলতে গিয়ে ওই মাছের খোঁজ মেলে। মাত্র ২০ মিলিমিটার দীর্ঘ মাছটির ত্বক স্বচ্ছ এবং তার শরীরের ভিতরের সব অঙ্গই বাইরে থেকে দৃশ্যমান। তবে কোনও হাড়ের গড়নে তার মাথাটিও ঢাকা নেই। শুধু স্বচ্ছ ত্বকে ঢাকা মাছটির মস্তিষ্ক। 'গিটচাক নাকানা' মাছটির গায়ের কিছু অংশ রক্তের মতো লাল। মাছটির নামের মধ্যেই লুকিয়ে রয়েছে মাছটির বৈশিষ্ট। গারো ভাষায়, 'গিটচাক' শব্দের অর্থ লাল এবং 'নাকানা'র অর্থ অন্ধ।

মাত্র ২০ মিলিমিটার দীর্ঘ মাছটির ত্বক স্বচ্ছ এবং তার শরীরের ভিতরের সব অঙ্গই বাইরে থেকে দৃশ্যমান। তবে কোনও হাড়ের গড়নে তার মাথাটিও ঢাকা নেই। শুধু স্বচ্ছ ত্বকে ঢাকা মাছটির মস্তিষ্ক।

জার্মানির সেনকেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়, অসমের ডন বসকো বিশ্ববিদ্যালয় ও মণিপুরের ধনমঞ্জুরি বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা যৌথ ভাবে ওই মাছটি নিয়ে গবেষণা চালান। জানা গিয়েছে, দীর্ঘ সময় ধরে আলোহীন পরিবেশে অভিযোজিত হওয়ার ফলে এদের দৃষ্টিশক্তি ও গায়ের রং বিলুপ্ত হয়েছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা ও বনমন্ত্রী চন্দ্রমোহন পাটোয়ারি এই সাফল্যের জন্য গবেষক দলকে অভিনন্দন জানান।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement