মোহনবাগান-১ (ক্রোমা)
রেনবো অ্যাথলেটিক ক্লাব-১ (সুরজ)
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহামেডানের পর কলকাতা লিগে এবার পয়েন্ট নষ্ট মোহনবাগানের। বুধবার নিজেদের মাঠে প্রথমবার মূল পর্বে খেলার সুযোগ পাওয়া রেনবোর কাছে আটকে গেল সবুজ মেরুন ব্রিগেড। ১-১ গোলে অমীমাংসিত রইল ম্যাচ। রেনবোর হয়ে গোল সুরজের। অপরদিকে, বাগানের হয়ে গোলটি করেন ক্রোমা। চলতি কলকাতা লিগে প্রথমবার পয়েন্ট নষ্ট করল বাগান।
[পাক দূতাবাসে ভিসা আনতে গিয়ে অপমানিত ইমরান তাহির]
গত কয়েকবছর ধরেই এই একই দৃশ্য, বড় দলের বিরুদ্ধে ছোট দলগুলি শুরুতে গোল পেয়ে গেলে রক্ষণে লোক বাড়িয়ে দেয়। এদিনও তাই হল। ম্যাচের প্রথমার্ধেই খেলার উলটোস্রোতে গোল পেয়ে যায় রেনবো। আর তারপরই রক্ষণে খেলোয়াড়ের সংখ্যা বাড়িয়ে দেয় তারা। খেলার ৩০ মিনিটে রেনবোর হয়ে গোল সুরজ মাহাতোর। সুজয়ের ক্রস থেকে কিংশুকের পাশ থেকে দুরন্ত হেড করেন সুরজ। যা বাগান গোলরক্ষককে পরাস্ত করে গোলে ঢুকে যায়। বাগান রক্ষণে তখন কিংসলের অভাব আরও স্পষ্ট হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে গোল খেয়ে পালটা চাপ বাড়ায় সবুজ-মেরুন খেলোয়াড়রা। কিন্তু যাবতীয় আক্রমণ রেনবো রক্ষণে এসে বাধা পেয়ে যায়। ফলে প্রথমার্ধের খেলা শেষ হয় ১-০ ফলাফলেই।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য আক্রমণের ঝাঁজ আরও বাড়ায় মোহনবাগান। আর তাতেই ম্যাচে সমতা ফেরায় সবুজ মেরুন। ৬০ মিনিটে ক্রোমা গোলটি করেন। এই নিয়ে কলকাতা লিগে ষষ্ঠ গোলটি করলেন তিনি। কিন্তু গোল শোধ করলেও একের পর এক সুযোগ নষ্ট এবং রেনবো রক্ষণের দক্ষতা মোহনবাগানকে জয়ের স্বাদ পেতে দেয়নি। উলটে রেনবোর গোলের সুযোগ কাজে লাগালে হারতেও পারত সবুজ-মেরুন ব্রিগেড।
[কুম্বলেকে ফের ‘অপমান’ করলেন বিরাট, কীভাবে জানেন?]
এদিন তড়িৎ ঘোষের ছেলেরা দুর্দান্ত ফুটবল খেলেন। মাঝমাঠ হোক কিংবা রক্ষণ সবদিক থেকেই যেন বাগান ফুটবলাররা পিছিয়ে ছিলেন। দ্বিতীয়ার্ধের বেশিরভাগ সময়ে খেলা নিয়ন্ত্রণ করে রেনবোই। কামো-ক্রোমা জুটিকে পুরোপুরি বোতলবন্দি করে রাখেন কেইটারা। উলটোদিকে ফরোয়ার্ডে থাকা একা বার্নাডই সারাক্ষণ ব্যতিব্যস্ত করে রাখেন বাগান রক্ষণকে। ক্রীড়া বিশেষজ্ঞদের মতে, দলে চারটি পরিবর্তনই বাগানের খারাপ খেলার অন্যতম কারণ। এই ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করায় লিগ জয়ের দৌড়ে কিছুটা হলেও পিছিয়ে পড়ল গঙ্গাপাড়ের ক্লাবটি। আর বলা যেতে পারে কিছুটা হলেও সুবিধা হল চির-প্রতিদ্বন্দ্বী ইস্টবেঙ্গলের।
The post রেনবো ছটায় কলকাতা লিগে আটকে গেল মোহনবাগান appeared first on Sangbad Pratidin.
