ইস্টবেঙ্গল ২ (আকাশ, বিলাল)
খিদিরপুর ০
'ঘরের ক্লাব' ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে নেমেছিলেন লাল-হলুদের ঘরের ছেলে মেহতাব হোসেন। যদিও এবার অন্য ভূমিকায় ফিরলেন। তবে কোচ হিসাবে সুখের হল না বৃহস্পতিবার। কলকাতা ফুটবল লিগে খিদিরপুর এসসিকে ২-০ গোলে হারিয়ে জয় তুলে নিল ইস্টবেঙ্গল।
ম্যাচের প্রথমার্ধেই এগিয়ে যায় লাল-হলুদ। ২৭ মিনিটে পেনাল্টি বক্সের ভিতর থেকে দুরন্ত শটে খিদিরপুরের জালে বল জড়িয়ে দেন আকাশ হেমব্রম। ৬৮ মিনিটে ব্যবধান বাড়ান বিলাল। শেষ পর্যন্ত ২-০ গোলে ম্যাচ জিতে মাঠ ছাড়ে ইস্টবেঙ্গল। শেষ দিকে পেনাল্টি থেকে ব্যবধান বাড়ানোর সুযোগ পেয়েছিল লাল-হলুদ। কিন্তু রবি দাসের শট আটকে দেন খিদিরপুরের গোলকিপার অর্নেন্দু। ফিরতি বল থেকেও গোল করতে পারেননি রবি।
কলকাতা লিগে মেহতাবের তাঁর দল হেরে গেলেও ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে কোচিং করানোর অভিজ্ঞতাকে আলাদা করে দেখছেন তিনি। মেহতাবের কথায়, ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে কোচিং করানো সবসময়ই স্পেশাল। অন্যদিকে, ইস্টবেঙ্গল রিজার্ভ দলের সহকারী কোচ অর্চিষ্মান বিশ্বাসের চিন্তার জায়গা ফুটবলারদের সুযোগ নষ্ট করা। ২-০ ব্যবধানে জয় এলেও আরও গোলের সুযোগ কাজে লাগাতে না পারা ভাবাচ্ছে লাল-হলুদ শিবিরকে।
গোলের পর সিউউউ সেলিব্রেশন বিলালের। সংবাদ প্রতিদিন চিত্র।
সোনার সময় চলছে ইস্টবেঙ্গলের। এসিএল ২-র মূল পর্বে, সদ্য ডুরান্ডে চ্যাম্পিয়ন, মেয়েরাও এশিয়ার মঞ্চে দাপাচ্ছে। কলকাতা লিগেও ছুটছে লাল-হলুদ বাহিনীর জয়রথ। গত ম্যাচেই কালীঘাট মিলন সংঘকে হারিয়েছিল লাল-হলুদ। ৮৪ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মনতোষ মাঝির একমাত্র গোলে জিতেছিল মশাল ব্রিগেড। আর এদিন খিদিরপুরকে হারিয়ে সুপার সিক্স কার্যত নিশ্চিত করে ফেলল তারা। ১০ ম্যাচে ২৪ পয়েন্ট নিয়ে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষে ভবানীপুর। ৮ ম্যাচে ২০ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় ইস্টবেঙ্গল। ইউনাইটেড কলকাতা চতুর্থ স্থানে। ১০ ম্যাচে ১৬ পয়েন্টে তারা।
