হোয়াটসঅ্যাপ খুলতেই কি সিম কার্ড যাচাইয়ের অপশন পেয়েছেন? নিশ্চয়ই খানিকটা অবাকই হয়েছেন। ভেবেছেন, এটা আবার কেন? এর নেপথ্যে রয়েছে টেলিযোগাযোগ বিভাগ (DoT) কর্তৃক জারি করা একটি সরকারি নির্দেশিকা।
ব্যাপারটা ঠিক কী? ২০২৫ সালে প্রকাশ্যে এসেছিল সিম বাইন্ডিংয়ের বিষয়টা। আসলে আট থেকে আশি সকলেই আজকাল হোয়াটসঅ্যাপে সড়গড়। শুধু আড্ডা নয়, এখন যাবতীয় অফিসিয়াল কাজও হয় হোয়াটসঅ্যাপে। সেই সুযোগকেই কাজে লাগায় প্রতারকরা। সেই কথা মাথায় রেখে জালিয়াতি রুখতেই বড় পদক্ষেপ করেছে কেন্দ্র। এতদিন পর্যন্ত হোয়াটসঅ্যাপ-সহ অধিকাংশ অ্যাপের ক্ষেত্রেই শুধুমাত্র প্রথমবার লগইন-এই ওটিপি ভেরিফিকেশন হত। তারপর ওই সিম কার্ড ব্যবহার না করলেও কোনও সমস্যা হয় না। আর এতে জালিয়াতদের সুবিধা হয় বলেই দাবি। কারণ, অনেকেই নম্বর ব্যবহার করে অ্যাপ খুলে জালিয়াতির ফাঁদ পাতে। কিন্তু সিম কার্ডটি নষ্ট করে ফেলায় তাঁদের হদিশ পেতে নাজেহাল হতে হয় তদন্তকারীদের।
সেসব দিক মাথায় রেখেই কেন্দ্রের তরফে নির্দেশিকা জারি করা হয়। বলা হয়, যে নম্বরটি ব্যবহার করেন হোয়াটসঅ্যাপে সেই সিমটি ফোনে থাকা বাধ্যতামূলক। কোনও নম্বর ৯০ দিনের বেশি সময় বন্ধ থাকলে তা ব্যবহার করে হোয়াটসঅ্যাপ বা কোনও মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার করা যাবে না। অর্থাৎ ধরুন আপনি নিজের নম্বরে হোয়াটসঅ্যাপ ব্যবহার করেন। ধরুন কোনও কারণে নম্বরটি বন্ধ হয়ে গিয়েছে বরাবরের জন্য। সেক্ষেত্রে ৯০ দিনের বেশি পুরনো হোয়াটসঅ্যাপটি ব্যবহার করতে পারবেন না। সেই নির্দেশিকাই এবার কার্যকর হয়েছে। সেই কারণেই হোয়াটসঅ্যাপ খুললেই অপশন আসছে সিম কার্ড ভেরিফিকেশনের।
