shono
Advertisement
Kalpurush Vastu Dosha

'কালপুরুষ' দোষে তছনছ হতে পারে সাজানো সংসার! কোন পুজোয় সরবে অশুভ শক্তির ছায়া?

বাড়িতে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটছে? কোনও কারণ নেই। তারপরেও অযথা ঝগড়াঝাঁটি, অশান্তি লেগেই রয়েছে? অর্থকষ্ট থেকে শুরু করে সংসারে বিবাদ, অসুস্থতা, এমনকী পরিবারে সদস্যদের মৃত্যুও একের পর এক দেখতে হচ্ছে চোখের সামনেই! হঠাৎ একদিন মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল আপনার। দেখলেন, স্থূলকায়, খর্বাকৃতি, লেজযুক্ত এক ছায়ামূর্তি ঘরময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ আপনার চোখের ভুল নয় তো? সাধু সাবধান! এ এক অখণ্ডনীয় অভিশাপ— যার নাম ‘কালপুরুষ’।
Published By: Buddhadeb HalderPosted: 07:56 PM Apr 10, 2026Updated: 07:56 PM Apr 10, 2026

বাড়িতে একের পর এক খারাপ ঘটনা ঘটছে? কোনও কারণ নেই। তারপরেও অযথা ঝগড়াঝাঁটি, অশান্তি লেগেই রয়েছে? অর্থকষ্ট থেকে শুরু করে সংসারে বিবাদ, অসুস্থতা, এমনকী পরিবারে সদস্যদের মৃত্যুও একের পর এক দেখতে হচ্ছে চোখের সামনেই! হঠাৎ একদিন মাঝরাতে ঘুম ভেঙে গেল আপনার। দেখলেন, স্থূলকায়, খর্বাকৃতি, লেজযুক্ত এক ছায়ামূর্তি ঘরময় ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ আপনার চোখের ভুল নয় তো? সাধু সাবধান! এ এক অখণ্ডনীয় অভিশাপ— যার নাম ‘কালপুরুষ’। একে কেবল সাধারণ বাস্তু দোষ বললে ভুল হবে, বাস্তুবিদদের মতে এটি বংশপরম্পরায় বয়ে চলা এক মহাপ্রলয়।

Advertisement

ছবি: সংগৃহীত

বাস্তুবিদরা মনে করেন, প্রতিটি বাসস্থানেই ইতিবাচক ও নেতিবাচক শক্তির সহাবস্থান থাকে। কিন্তু গোলমাল বাধে যখন ঋণাত্মক শক্তির পাল্লা ভারী হতে শুরু করে। এর মূলে অনেক সময় থাকে জমির-বাড়ির আদি ইতিহাস। অতীতে যেখানে শ্মশান বা কবরস্থান ছিল, সেই জমিতে ঘর তুললে আদি ঋণাত্মক শক্তি মাথা চাড়া দেয়। আবার অনেক সময় অশুভ শক্তির সাময়িক প্রভাবে রূপান্তরিত নেতিবাচকতা তৈরি হয়। এই অশুভ সংকেতগুলিকে অবহেলা করলেই ঘোর বিপদ। বাস্তুকারদের দাবি, কালপুরুষ দোষ একবার সক্রিয় হলে তা খণ্ডন করা অসম্ভব। এর প্রভাব এতটাই মারাত্মক যে, কয়েক প্রজন্মের বংশধরদের সেই কর্মফল ভোগ করতে হতে পারে।

তাত্ত্বিকদের মতে, এই দোষের নেপথ্যে থাকে প্রেত ক্রিয়া। বাস্তুতে প্রেতের প্রবেশ ঘটলে তবেই কালপুরুষ জাগ্রত হয়। এই জাগরণের কিছু ভয়াবহ লক্ষণের কথা উল্লেখ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। রাতের অন্ধকারে বাস্তুর সীমানার মধ্যে স্থূলকায়, খর্বাকৃতি এবং লেজযুক্ত ছায়ামূর্তির আনাগোনা দেখা যেতে পারে। সবচেয়ে ভীতিপ্রদ বিষয় হল, বাড়ির মহিলাদের ওপর এই শক্তির কুপ্রভাব পড়ে মারাত্মক ভাবে। যদি সময় থাকতে প্রেতপ্রবেশ আটকানো না যায়, তবে বাস্তুর সমস্ত শুভত্ব হরণ করে নেয় কালপুরুষ।

ছবি: সংগৃহীত

এই ধ্বংসাত্মক পরিস্থিতি থেকে নিস্তার পাওয়ার পথ অত্যন্ত সীমিত। বাস্তুকারেরা ঘর তৈরির সময় থেকেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন। বিভিন্ন শাস্ত্রীয় নিয়ম মেনে বাস্তুর শুদ্ধতা বজায় রাখা একান্ত জরুরি। তবে একবার যদি কালপুরুষের রোষানলে কেউ পড়েন, তবে তার প্রতিকার হিসেবে পণ্ডিতেরা একটিই পথের হদিস দেন— তা হল আজীবনের জন্য বাড়িতে কালীপূজার সূচনা করা। পরম করুণাময়ীর আরাধনা এবং ঈশ্বরবিশ্বাসের মাধ্যমেই হয়তো এই অখণ্ডনীয় দণ্ড থেকে মুক্তির পথ মিলতে পারে। মনে রাখবেন, অবহেলা যেখানে অন্ধকার ডেকে আনে, শাস্ত্রীয় সতর্কতা সেখানে হতে পারে আপনার গৃহের রক্ষাকবচ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement