ওয়াই-ফাই। বাড়ি থেকে দূরে সময় কাটানোর সময় বিনামূল্যে ইন্টারনেটের জন্য সকলেই যা ব্যবহার করে থাকেন। হতে পারে জমজমাট ক্যাফে কিংবা বিমানবন্দর, স্টেশন- সর্বত্রই ওয়াই-ফাই আমাদের সঙ্গী। কিন্তু জানেন কি সামান্য ভুলে হতে পারে বিপদ! আসলে বিপদ বলে আসে না। কে কোথায ঘাপটি মেরে ষড়যন্ত্র কষছে বোঝা যায় না। বিশেষ করে এই বিশ্বময় সাইবার-অপরাধের জমানায়! তাই সতর্ক থাকাই ভালো। জেনে নিন বিশদে (Wi-Fi Tips)।
মনে রাখবেন, সাইবার অপরাধীরা সব সময়ই ওয়াই-ফাইয়ের নাম বদলে এমন নাম করে রাখে, যাতে মনে হয় কোনও অফিসিয়াল নাম! উদ্দেশ্য পরিষ্কার। ইউজারদের মধ্যে কোনওরকম সন্দেহের উদ্রেক না হতে দেওয়া। যদি দেখেন কোনও নেটওয়ার্কে ঢুকতে চাইলে আপনাকে অপরিচিত লগইন পেজে ঢুকিয়ে দিচ্ছে কিংবা অপ্রয়োজনীয় পারমিশন চাইছে সতর্ক হোন। আবার গতি যদি খুব কম থাকে তাহলেও সতর্ক থাকতে হবে।
আপনার ল্যাপটপ কিংবা ফোনের সেটিংসে অটোমেটিক্যালি কোনও নেটওয়ার্কের সঙ্গে যুক্ত হওয়া বন্ধ করে রাখুন। ফলে আচমকাই কোনও ফাঁদে পড়বেন না।
এমন বহু অ্যাপ রয়েছে যা পাবলিক নেটওয়ার্কে যুক্ত থাকার সময়ও নিঃশব্দে তথ্য সরবরাহ করতে থাকে। এক্ষেত্রে একটি প্রাইভেসি ফায়ারওয়াল অ্যাপ থাকলে তা এই ধরনের নেপথ্য আদানপ্রদানে বাধা দেবে। এর ফলে যে অ্যাপটি আপনি খুলছেন কেবল সেটিই ওই নেটওয়ার্কের সঙ্গে সংযোগ গড়ে তুলবে।
একটা আলাদা অ্যাকাউন্ট খুলে রাখুন। যেটি বেড়াতে গেলে সক্রিয় রাখবেন। এতে ন্যূনতম ব্যক্তিগত তথ্য দিয়ে রাখবেন। ফলে কোনওভাবে অ্যাকাউন্টটি আক্রান্ত হলেও বড় বিপদে পড়বেন না।
অনেক সময় কোনও ওয়াই-ফাই নেটওয়ার্কে ঢোকার সময় লগ ইন করতে বলে। কিন্তু সাবধান! আচমকাই পাসওয়ার্ড না দিয়ে লক্ষ্য করুন কোনও বৈধ নিরাপত্তা শংসাপত্র রয়েছে কিনা। প্যাডলক আইকনে ক্লিক করুন। তারপর দেখে নিন। যদি দেখেন শংসাপত্রটিতে কোনও রকম সন্দেহজনক কিছু রয়েছে, খবরদার লগ ইন করবেন না।
