হিন্দি মেগা ও রিয়ালিটি শোয়ের অন্যতম জনপ্রিয় মুখ। পঁয়তাল্লিশেও 'ফিট অ্যান্ড ফাইন'। কোন বিউটি টিপসে আজও তন্বী তা জানতে মুখিয়ে থাকে অনুরাগীরা। তিনি আর কেউ নন 'কসৌটি জিন্দেগী কি' খ্যাত জনপ্রিয় অভিনেত্রী শ্বেতা তিওয়ারি। তাঁর রূপের আগুনে পুড়ে ছারখার পুরুষ হৃদয়। বয়স যেন সংখ্যা মাত্র। 'জেন জি'র সুন্দরীদের অনায়াসেই টেক্কা দিতে পারে দুই সন্তানের মা শ্বেতা তিওয়ারি। তবে বিবাহিতজীবন মোটেই সুখের নয়। প্রথম স্বামী রাজা চৌধুরীর বিরুদ্ধে গার্হস্থ্য হিংসার অভিযোগ এনেছিলেন। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন স্ত্রী সম্পর্কে বোমা ফাটালেন রাজা। পরকীয়ায় লিপ্ত ছিলেন অভিনেত্রী, এক নয় একাধিক সম্পর্কে ছিলেন শ্বেতা তিওয়ারি।
শ্বেতা তিওয়ারি ও রাজা চৌধুরীর বিচ্ছেদ ছিল বিনোদুনিয়ার অন্যতম আলোচিত বিষয়। শ্বেতার অভিযোগ, রাজা প্রতিদিনই তাঁকে মারধর করতেন এবং শুটিং সেটে হাজির হয়ে অশান্তি করতেন। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে রাজা সেসমস্ত অভিযোগ ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছেন। রাজার কথায়, সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।
তিনি বলেন, "আমি হয়তো রাগের মাথায় দরজা, টিভি বা টেবিল ভেঙেছি, কিন্তু কখনও শ্বেতার গায়ে হাত তুলিনি।" আর অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ? সেই প্রসঙ্গে শ্বেতার প্রাক্তন স্বামীর সপাট জবাব, "রাগের মুহূর্তে মুখনিশ্রিত কথা কেউ গালিগালাজ মনে করলে সেটা তাঁর সমস্যা। ইচ্ছাকৃতভাবে কাউকে অপমান করার উদ্দেশ্য আমার ছিল না।"
তবে ঝগড়ার সময় উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়েছে সে কথা অকপটে স্বীকার করেছন রাজা চৌধুরী। একইসঙ্গে সাম্প্রতিক অতীতে শ্বেতাকে 'অশিক্ষিত' বলেও খোঁচা দিয়েছিলেন। সেই প্রসঙ্গ উত্থাপন করলে রাজার স্পষ্ট জবাব, জীবনের অভিজ্ঞতা অনেক দূর এগতে সাহায্য করেছে কিন্তু, বাস্তবে শ্বেতা স্নাতক নন। বরং রাজার দাবি, "মিথ্যা ওঁর রক্তে মিশে।" দ্বিতীয় স্বামী এবং তাঁদের ছেলের প্রসঙ্গে রাজার অভিযোগ, শ্বেতাই নাকি ছেলেকে তাঁর বাবার থেকে দূরে সরিয়ে রেখেছেন।
দাম্পত্য নিয়ে বিস্ফোরক দাবিতে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি। রাজা প্রকাশ্যে বলেছেন, "আমি শ্বেতাকে সিজান খানের সঙ্গে ধরেছিলাম। তাছাড়া ওঁর একাধিক সম্পর্ক ছিল। সেই জন্যই আমাদের বিবাহবিচ্ছেদ হয়। কাদা ছোড়াছুড়ি করতে চাইনি। তাই কখনও ব্যক্তিগতজীবন নিয়ে মুখ খুলিনি। এতদিন সকলে একপক্ষের কথাই শুনেছে। আমি কোন পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে গিয়েছি সেটা কেউ জানতে চায়নি।"
