সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নতুন বছরে আজব সমস্যায় পড়েছেন স্প্লিটসভিলার দুই প্রতিযোগী! জনপ্রিয় এই রিয়ালিটি শোয়ের যুগলের অন্তরঙ্গ মুহূর্ত সোশাল মিডিয়ায় রীতিমতো ভাইরাল। এটি নাকি এমএমএস ভিডিও। নেটপাড়ায় এমনই গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। তার তাতেই বিড়ম্বনায় জাস্টিন ডিক্রুস এবং সাক্ষী শ্রীনিবাস। প্রযুক্তির কারসাজিতেই ঘনিষ্ঠ যুগল? নাকি সত্য়িই এমন কাণ্ড ঘটেছে। ভিডিও নিয়ে চর্চা চরমে উঠতেই নতুন ভিডিও পোস্ট করে সবটা খোলসে করলেন তাঁরা।
জাস্টিন ও সাক্ষীর একটি ভিডিও হঠাৎই ঝড়ের গতিতে ভাইরাল হয়েছে সোশাল মিডিয়ায়। যা নিয়ে শুরু হয়েছে তুমুল বিতর্ক। নেটপাড়ায় সেই ভিডিওটি জাস্টিন ও তাঁর ঘনিষ্ঠ বান্ধবী সাক্ষীর অন্তরঙ্গ মুহূর্ত বলে শেয়ারও করা হচ্ছে। আসলে তাঁদের ভ্লগের স্বার্থে করা একটি ভিডিও থেকে এমনই এক অংশ কেটে নিয়ে কেউ এমএমএস ভিডিও হিসেবে ছড়িয়ে দিয়েছেন, যা থেকেই সব সমস্যার সূত্রপাত। ভাইরাল ভিডিওটি যে এমএমএস নয়, তা যে একেবারেই ভুলভাবে তৈরি তা সাফ জানিয়ে দিলেন সাক্ষী ও শ্রীনিবাস। সোশাল মিডিয়ায় তাঁরা জানান যে, তাঁদের এই ঘনিষ্ঠ ভিডিও বা এমএমএসটি একেবারেই ভুয়ো। এই নিয়ে আর কী বলেন তাঁরা?
সোশাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও করেন জাস্টিন ও সাক্ষী। এভাবে তাঁদের ভাবমূর্তি নষ্ট করার বিষয় নিয়ে নিন্দায় মুখর হন তাঁরা। সোশাল মিডিয়ায় তাঁরা জানান যে, এটি কোনওরকম এমএমএস নয়। যে ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে তা তাদেরই একটি ভ্লগের অংশ। একইসঙ্গে তাঁরা সকলকে এই ভিডিওটি শেয়ার করা থেকে বিরত থাকার অনুরোধও জানিয়েছেন। তাঁরা বলেন, "যাঁরাই এই ভিডিও দেখছেন তাঁদের সকলকে অনুরোধ করব যে এই ভিডিও দেখা থেকে দয়া করে বিরত থাকুন। এটা কোনও এমএমএস নয়। এরকম কোনও লিংকও নেই। এটা আমাদের ভ্লগের একটা অংশ। ফাঁদে পা দেবেন না।"
জাস্টিন ও সাক্ষী আরও বলেন যে, "দেড় থেকে দু'লক্ষ মানুষ এই ভিডিওটি শেয়ার করেছেন। এরা কীরকম মানুষ? আমাদের অনেক ভালো ভালো ভ্লগ রয়েছে সেগুলোতে দয়া করে নজর দিন। দেখুন। সেগুলোকে ভাইরাল করুন। একটা ভুল ভিডিওকে নয়। যে ভিডিও ভাইরাল হয়েছে তা আমাদের একটি ভ্লগের অংশ। যা নিয়ে ভুলভাবে একটা খারাপ ভিডিও তৈরি করে মানুষের কাছে পৌঁছে দিচ্ছে। তাই এর উপর ভিত্তি করে সবটা বিশ্বাস করবেন না।"
