shono
Advertisement

Breaking News

Mansarovar Yatra

৫ বছর পর ফের খুলল পথ, কেমন হল রোমাঞ্চকর কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা?

চলতি বছরের রোমাঞ্চকর কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা সমাপ্ত হল। পাঁচ বছর পর ফের এই বছর ফের এই পথ খুলেছিল। ১৫ জুন ওই তীর্থযাত্রা সিকিমের নাথু-লা এবং উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস দিয়ে শুরু হয়। রবিবার শেষ ব্যাচের পর্যটকরা ফিরে এসেছেন।
Published By: Suhrid DasPosted: 09:27 PM Aug 25, 2026Updated: 09:28 PM Aug 25, 2026

চলতি বছরের রোমাঞ্চকর কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা সমাপ্ত হল। পাঁচ বছর পর ফের এই বছর ফের এই পথ খুলেছিল। ১৫ জুন ওই তীর্থযাত্রা সিকিমের নাথু-লা এবং উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস দিয়ে শুরু হয়। রবিবার শেষ ব্যাচের পর্যটকরা ফিরে এসেছেন। সিকিমের নাথু-লা রুট দিয়ে ১০টি পর্যায়ে ৪৬৪ জন পুণ্যার্থী কৈলাস মানস সরোবরে যান। ২৩ আগস্ট শেষ দলটি গ্যাংটকে ফিরে আসে। অন্যদিকে উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস দিয়ে ৪৭৭ জন পুণ্যার্থী এই যাত্রায় অংশ নেন।

Advertisement

সিকিম পর্যটন দপ্তরের সিইও গিউর্মি ইউসাল জানান, রবিবার শেষ ব্যাচটি গ্যাংটকে পৌঁছায় এবং সেখানে সিকিম ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের প্রতিনিধিরা তীর্থযাত্রীদের উষ্ণ অভ্যর্থনা ও সংবর্ধনা জানান। নিজেদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরার সময় তীর্থযাত্রীরা এই যাত্রার আধ্যাত্মিক গুরুত্বের কথা উল্লেখ করেন। পাশাপাশি, সিকিম হয়ে এই তীর্থযাত্রা আয়োজনে সহায়তা ও সহযোগিতার জন্য তাঁরা ভারত সরকার, এসটিডিসি এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। যাত্রার সফল সমাপ্তি প্রসঙ্গে সিকিম ট্যুরিজম ডেভেলপমেন্ট সোসাইটির চেয়ারম্যান লুকেন্দ্র রাসাইলি জানান, এই তীর্থযাত্রা সিকিমের পর্যটন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রসঙ্গত, ২০২০ সালে করোনা অতিমারীর কারণে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়। এরপর পাঁচবছর কেটে গেলেও তীর্থযাত্রা শুরু করা যায়নি। কারণ, গত কয়েক বছরে লাদাখ ও অরুণাচলে সীমান্তে ভারত-চিন সংঘাতে এই তীর্থযাত্রার ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে ২০২০ সালের ১৫ জুন গালওয়ান উপত্যকায় চিনা ফৌজের আগ্রাসন প্রতিরোধ করলে দুই দেশের সেনার মধ্যে সংঘর্ষ বাধে৷ এতে প্রায় ২০ জন ভারতীয় সেনা শহিদ হন৷ এরপর পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। ২০২৫ সালে ভারত-চিনের বিদেশ সচিব পর্যায়ের বৈঠকের পর অবশেষে জট কাটে। পাঁচ বছর পর ফের কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা শুরু করতে সম্মত হয় দুই দেশ। এরপর নাথু-লা রুট দিয়ে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা ফের শুরু হয়।

কৈলাস যাত্রায় প্রতিটি দলের সঙ্গে ডাক্তার, রাঁধুনি এবং যোগাযোগ কর্মকর্তা ছিলেন। যাত্রা শুরুর আগে পর্যটকদের সিকিমের বিভিন্ন উঁচুস্থানে চার থেকে পাঁচ দিন বসবাস বাধ্যতামূলক করা হয়। সেটা অভিযোজন প্রক্রিয়ার প্রয়োজনে। ভারত থেকে দুটি রুটে কৈলাস পর্বত ও মানস সরোবর যাত্রা হয়ে থাকে। একটি সিকিমের নাথু-লা হয়ে এবং অন্যটি উত্তরাখণ্ডের লিপুলেখ পাস হয়ে। সিকিম সরকার হিমালয়ের নাথু-লা হয়ে কৈলাস পর্বত ও মানস সরোবর যাত্রার জন্য প্রয়োজনীয় পরিকাঠামো তৈরি করেছে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement