নিত্য়দিনের ব্যস্ততা থেকে ছোট্ট ছুটি। অক্সিজেনের খোঁজে নতুন কোনও জায়গায় যেতে কার না ভালো লাগে। তাই সুযোগ পেলেই বাক্সপ্যাঁটরা গুছিয়ে বেরিয়ে পড়তে যেন মুখিয়ে থাকেন সকলেই। বেড়াতে যাওয়ার রোমাঞ্চ যেমন থাক। আবার যাতে কোনও অঘটন না ঘটে সে-ই আতঙ্কও কাজ করে। তাই বেড়াতে যাওয়ার সময় যাত্রা শুভ হওয়ার আশায় বেশ কিছু কুসংস্কার মেনে চলেন অনেকেই। আপনিও কি কোনও কুসংস্কার মানেন, চলুন তা মিলিয়ে দেখা যাক।
Advertisement
- অনেকেই বিশ্বাস করেন রসুন এবং লবঙ্গ কুনজর এড়াতে ব্রহ্মাস্ত্রের মতো কাজ করে। তাই কেউ কেউ যাত্রা শুভ হওয়ার আশায় সুটকেসে এই দু'টি জিনিস নিয়ে যান। আপনিও ব্যাগে রাখেন নাকি?
- বিমানে চড়ে বেড়াতে যাওয়ার সময় অনেকেই দুর্ঘটনার আতঙ্কে ভোগেন। তাই চড়ার আগে কেউ কেউ বিমানের গায়ে হাত রেখে মনে মনে যাত্রা শুভ হওয়ার প্রার্থনা করেন। তাতে অবশ্য সত্যিই দুর্ঘটনা থেকে বাঁচা সম্ভব কিনা, তা প্রামাণ্য তথ্য নেই। তবে এমন বিশ্বাস রয়েছে অনেকের।
- আবার কেউ কেউ বিমানে চড়ার সময় প্রথমে ডান পা এগিয়ে দেন। তাঁরা বিশ্বাস করেন, তাতে বিপদের আশঙ্কা দূর করা সম্ভব।
- ধরুন পরিবারের কেউ বেড়াতে যাচ্ছেন। তিনি বেরনোর সময় কেউ কেউ গায়ে জল ছিটিয়ে দেন। বিশ্বাস করা হয়, ওই জলের ছিটেই যেন সমস্ত ইতিবাচক শক্তির আধার। সমস্ত বিপদ থেকে রক্ষা করতে রক্ষাকবচের মতো কাজ করবে।
- যাঁরা সংখ্যাতত্ত্বে বিশ্বাসী তাঁরা ব্যাগের সংখ্যা নিয়েও বিশেষ ভাবনাচিন্তা করেন। যেমন চিনে ৪ সংখ্যাটি এড়িয়ে চলার চেষ্টা করা হয়। আবার ১৩ সংখ্যাটিকে মোটেও ভালো চোখে দেখেন না অনেকেই।
- বেড়াতে যাওয়ার আগে অনেকে লাগেজের উপর মিনিট দুয়েক বসেন। তারপরই বাড়ি থেকে বেরন। নইলে বিপদ ঘটতে পারে বলেই মনে করেন পর্যটকদের অনেকেই।
- কেউ কেউ বাড়ি তেকে বেরনোর সময় ঝাঁটা নিচের দিকে মুখ করে রেখে যান। যাতে ফাঁকা বাড়ি কোনও নেতিবাচক শক্তির দখলে চলে না যায়, তাই এই নিয়ম মেনে চলেন কেউ কেউ।
আপনিও বেড়াতে যাওয়ার সময় এই কুসংস্কারগুলির মধ্যে কোনটি মেনে চলেন নাকি!
