shono
Advertisement

Breaking News

beach trip

হানিমুনে সমুদ্রে বেড়াতে যাচ্ছেন? ভুলেও সৈকত থেকে তুলে আনবেন না এসব জিনিস!

হানিমুন হোক বা ফ্যামিলি ট্যুর, সমুদ্রে বেড়াতে গেলে, পর্যটকদের আকৃষ্ট করে বিস্তৃত সমুদ্রসৈকত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রকৃতির নানা আশ্চর্য।
Published By: Sulaya SinghaPosted: 02:50 PM Feb 11, 2026Updated: 02:50 PM Feb 11, 2026

হানিমুন হোক বা ফ্যামিলি ট্যুর, সমুদ্রে বেড়াতে গেলে, পর্যটকদের আকৃষ্ট করে বিস্তৃত সমুদ্রসৈকত জুড়ে ছড়িয়ে থাকা প্রকৃতির নানা আশ্চর্য। সি-বিচ যেন হয়ে ওঠে এক অসামান্য আরকাইভ, সমুদ্রের জল যাকে মুছে যাওয়ার সময়ে পিছনে ফেলে যায় নিজস্ব স্মৃতিচিহ্ন। আর সেই সমস্ত চিহ্নই পর্যটকেরা ফেরার সময়, নিয়ে আসেন কোঁচড় ভরে। কিন্তু এ কথা অনেকেই জানেন না যে, এই সামান্য কাজের জন্য বড় রকমের মাশুল চোকাতে হয় খোদ প্রকৃতিকে।

Advertisement

রঙিন ঝিনুক সংগ্রহ করেন?
সবার প্রথমেই চোখ আটকায় বালিতে ছড়িয়ে থাকা রঙিন ঝিনুকে। এক-একটি খোলার ওপর এক-এক রকমের কারুকাজ। ওজনেও এক্কেবারে হালকা। তাই অনেকেই বিপুল পরিমাণে সংগ্রহ করেন ঝিনুক।

কিন্তু জানেন কি, সামুদ্রিক এলাকার ইকোসিস্টেমে এক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এই শুকনো খোলা। ভিতরের প্রাণীটি মরে গেলে, খোলস গুঁড়ো হয়ে মিশে যায় বালিকণার সঙ্গে। রয়ে গেলে, তাতে বাসা বাঁধতে পারে হারমিট ক্র্যাব। এই ধরণের কাঁকড়াদের নিজস্ব খোলস থাকে না। বাসস্থানের জন্য পুরোপুরিভাবেই ঝিনুকের খোলার ওপর নির্ভরশীল এরা।

সঙ্গে আনছেন মুঠোভর্তি বালি?
অনেকেই আবার বালি অথবা নুড়িপাথর নিয়ে আসেন। জীবনের কয়েকটি সুন্দর দিন যে কাটানো গেছে সৈকতটিতে, এ বালি তা-ই মনে করায়। তবে এর ক্ষয়ক্ষতি সুদূরপ্রসারী। জোয়ারভাটায় সমুদ্রতটের বালি-পলি ভেসে যায় যেমন, তেমনই আবার ফিরেও আসে নতুন করে।

কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এমনটা হয় না। ফলে ভূমিক্ষয় ত্বরান্বিত হয়। হয়তো ভাবছেন, সামান্য এক মুঠো বালি তুলে নিলে কি এমন হতে পারে? কমবেশি প্রত্যেক পর্যটকই এমনটা মনে করেন, সমস্যা সেখানেই। এ কারণে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমুদ্রতটের বালি তুলে আনায় রীতিমতো নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছে।

তুলে আনেন প্রবাল অথবা স্টারফিশ?
বিশেষত আন্দামানের সমুদ্রতটের ক্ষেত্রে এই এক বড় মশকিল! সৈকত জুড়ে রঙবেরঙা প্রবালের টুকরো অথবা স্টারফিশ দেখে অনেকেই লোভ সামলাতে পারেন না। তুলে আনেন সঙ্গে করে। যা তাঁরা জানেন না, তা হল এই সব জলজ প্রাণীদেহ ধ্বংসের পর সমুদ্রতলের আণুবীক্ষণিক কীটেরা তা খেয়ে বেঁচে থাকে। তাছাড়া এমন অনেক জলজ প্রাণী রয়েছে, যার দেহ তুলে আনা ‘ওয়াইল্ডলাইফ প্রোকেটশন অ্যাক্ট’-এর আওতায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

পরিবেশ দূষণ, বিশ্ব উষ্ণায়নের মতো সমস্যায় বরাবরই জেরবার সমুদ্র উপকূলবর্তী ইকোসিস্টেম। মানুষ সেই অপরাধের ভাগীদার না-ই বা হল!

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement