shono
Advertisement
PoK

অধিকৃত কাশ্মীরে গণহত্যার ছক পাকিস্তানের! বিদ্রোহ দমনে আরও ৪০০০ সেনা, ৭ রেঞ্জার্স উইং

গত ৮ জুলাই 'অত্যন্ত জরুরি' ও 'গোপনীয়' লেখা একটি চিঠি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পাঠানো হয়েছিল। সেখানেই বিরাট সংখ্যায় এই সেনা পাঠানোর আবেদন জানানো হয়েছিল।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:29 PM Jul 11, 2026Updated: 05:29 PM Jul 11, 2026

পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীরে পাক সেনার নৃশংসতা আরও ভয়াবহ আকার নিতে চলেছে! আগামী ১৫ জুলাই অধিকৃত কাশ্মীরে সেনার বিরুদ্ধে লং মার্চের ডাক দিয়েছে সেখানকার নাগরিকরা। শান্তিপূর্ণ এই বিক্ষোভ দমনে ভয়ংকর কিছুর পরিকল্পনা করছে সেখানকার ফেডারেল সরকার। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, এই লং মার্চকে মাথায় রেখে অন্তত ৪ হাজার জওয়ান ও পাক রেঞ্জার্সের ৭টি উইংস অধিকৃত কাশ্মীরে পাঠানোর কথা বলা হয়েছে।

Advertisement

সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী, অধিকৃত কাশ্মীরকে সেনার বন্দুকের নলের মুখে শাসন করতে 'আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর'-এর স্বরাষ্ট্র দপ্তর ৪,০০০ ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারি (এফসি) সদস্য এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সাতটি উইং অবিলম্বে মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে। গত ৮ জুলাই 'অত্যন্ত জরুরি' ও 'গোপনীয়' লেখা একটি চিঠি পাকিস্তানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক পাঠানো হয়েছিল। সেখানেই বিরাট সংখ্যায় এই সেনা পাঠানোর আবেদন জানানো হয়েছিল। এই ঘটনায় স্পষ্ট যে পাকিস্তানের অঙ্গুলিহেলনে চলা অধিকৃত কাশ্মীরের স্থানীয় প্রশাসন জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির (জেএসিসি) ক্রমবর্ধমান প্রভাবে রীতিমতো উদ্বিগ্ন।

'আজাদ জম্মু ও কাশ্মীর'-এর স্বরাষ্ট্র দপ্তর ৪,০০০ ফেডারেল কনস্ট্যাবুলারি (এফসি) সদস্য এবং পাকিস্তান রেঞ্জার্সের সাতটি উইং অবিলম্বে মোতায়েনের অনুরোধ জানিয়েছে।

গোপন নথি অনুযায়ী, ইতিমধ্যেই বিপুল সংখ্যায় বাহিনী মোতায়েন করা রয়েছে অধিকৃত কাশ্মীরে। তবে তা যথেষ্ট বলে মনে করছে না প্রশাসন। যার জেরেই আনা হচ্ছে এই নতুন বাহিনী। যার লক্ষ্য হবে অধিকৃত কাশ্মীরে চলা আন্দোলন পুরোপুরি নিষ্ক্রিয় করা। নির্দেশে বিশেষভাবে বলা হয়েছে, যে সেনা জওয়ানরা আসছেন তাঁদের ৫০ শতাংশ অস্ত্র ও গোলাবারুদে সজ্জিত থাকবেন, বাকি ৫০ শতাংশ দাঙ্গা রোধে ব্যবহৃত হবে। সবমিলিয়ে আশঙ্কা করা হচ্ছে, অধিকৃত কাশ্মীরে বড় কিছু ঘটাতে চলেছে সেনাবাহিনী। বিদ্রোহে দমনে সেনাবাহিনী গণহত্যার পথে হাঁটতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, ২৭ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য আঞ্চলিক নির্বাচনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা চরমে উঠেছে অধিকৃত কাশ্মীরে। ৯ জুন থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরুর প্রাক্কালে জেএএসি মুজাফফরাবাদ অভিমুখে এক বিশাল প্রতিবাদ মিছিলের ডাক দিয়েছে। সব মিলিয়ে অধিকৃতি কাশ্মীর এমন এক রাজনৈতিক সংঘাতের সাক্ষী হচ্ছে, সাম্প্রতিক অতীতে যার নজির নেই। পাকিস্তানে বসতি গড়া কাশ্মীরি শরণার্থীদের জন্য সংরক্ষিত বিধানসভার ১২টি আসন বিলুপ্তির দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভকারীরা। জেএএসি-র যুক্তি হল এই আসনগুলির মাধ্যমে পিওকের রাজনীতিতে অসামঞ্জস্যপূর্ণ প্রভাব তৈরি করছে ইসলামাবাদ। আদালত বলেছে, সংরক্ষিত ১২টি আসন সাংবিধানিকভাবে সুরক্ষিত। আদালতের নির্দেশে বাতিল করা যাবে না। এর জন্য সাংবিধানিক সংশোধনের প্রয়োজন। এই অবস্থায় পিওকে গণ আন্দোলন তুঙ্গে উঠেছে। বিক্ষোভকারীরা আটচল্লিশ ঘণ্টার সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অধিকৃত কাশ্মীরের বিদ্রোহ দমনে আরও কঠোর হচ্ছে পাক সেনা।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement