কারও চোট। কারও পেটের সংক্রমণ। কেউ ছিটকে গিয়েছেন বিশ্বকাপ (FIFA World Cup 2026) থেকে। কেউ আবার পরের ম্যাচে অনিশ্চিত। সঙ্গে লাল কার্ড দেখে নির্বাসনের সমস্যাও আছে।
শনিবার রাতে কোয়ার্টার ফাইনালে ইংল্যান্ডের (England Football Team) প্রতিপক্ষ নরওয়ে (England vs Norway Preview)। যে দলে থাকা আর্লিং হালান্ড, মার্টিন ওডেগার্ড, ক্রিস্টোফার আয়ার, ডেভিড উলফ, স্যান্ডর বার্গরা সারা বছর কাটান রাজার দেশের জল-হাওয়া-মাটিতেই। প্রিমিয়ার লিগের বিভিন্ন নামী ক্লাবের তারকা সদস্য তাঁরা। কিন্তু সেই 'বিভীষণ'দের মুখোমুখি হওয়ার আগে প্রতিপক্ষ নিয়ে ভাবনার সময়টুকুও যেন পাচ্ছেন না টমাস টুখেল। কারণ নিজের সংসারের সমস্যা মেটাতে মেটাতেই দিন যাচ্ছে ইংল্যান্ড কোচের।
বিশ্বকাপের শুরু থেকে চোট সঙ্গী হয়েছে টুখেলদের। রিস জেমস শেষ কয়েকটা ম্যাচ খেলতে পারেননি। সম্প্রতি অনুশীলনে ফিরেছেন বটে। তবে নরওয়ে ম্যাচে অনিশ্চিত। তাঁর বদলে রাইট ব্যাক হিসেবে খেলা জ্যারেল কোয়ানসা লাল কার্ড দেখেছেন শেষ ষোলোয়। দু'ম্যাচ নির্বাসিত তিনি, দল ফাইনালে না উঠলে আর এবার বিশ্বকাপে খেলতে পারবেন না। এর মধ্যেই সেন্টার ব্যাক মার্ক গুয়েহি-র পেশির সমস্যায় ডিফেন্স নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে টুখেলকে। হাত ভেঙে বিশ্বকাপের বাইরে জর্ডন হেন্ডারসন। ডেকলান রাইস আবার ভুগছেন পেটের সংক্রমণে। শেষ দিন প্র্যাকটিসও করেননি। প্রশ্ন তাঁকে নিয়েও। ফলে মাঝমাঠ নিয়েও চিন্তা বেড়েছে।
টুখেলকে স্বস্তি দিচ্ছে আক্রমণ। হ্যারি কেন, জুড বেলিংহ্যাম, বুকায়ো সাকা, মার্কাস র্যাশফোর্ড, অ্যান্থনি গর্ডনরা গোল করছেন-করাচ্ছেন নিয়মিত। ভাইকিংদের আটকাতে সেটাই ভরসা ইংল্যান্ডের। অনুশীলন দেখতে হাজির ছিলেন প্রাক্তন তারকা ডেভিড বেকহ্যাম।
