shono
Advertisement

Breaking News

Balochistan

পাক সেনার কনভয়ে মারণ হামলা, মৃত অন্তত ৪৫ জওয়ান, দায় স্বীকার বালোচদের

সেনা কনভয়ে হামলার কথা স্বীকার করলেও হতাহতের বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। হামলার পর কোয়েটার একাধিক হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 08:14 PM Jul 17, 2026Updated: 08:24 PM Jul 17, 2026

পাকিস্তানের শিকল ছিঁড়ে ‘স্বাধীন বালোচিস্তান’ ঘোষণা করেছিল বিদ্রোহীরা। দাবি করা হয়েছিল বালোচিস্তানের ৮৫ শতাংশ এলেকা তাদের নিয়ন্ত্রণে। এর ঠিক পর 'পাকিস্তান অধিকৃত' বালোচিস্তানে পাক সেনার কনভয়ে মারণ হামলা চালাল বিদ্রোহীরা। এই হামলায় অন্তত ৪৫ জনের বেশি জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনার পর হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে বালোচিস্তানের মাস্তুং জেলায়। হামলার দায় স্বীকার করেছে বালোচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।

Advertisement

ভয়ংকর এই হামলার দায় স্বীকার করে বিএলএ-র মুখপাত্র জিয়ন্দ বালোচ এক বিবৃতি জারি করেছেন। যেখানে বলা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার তাঁদের বিশেষ শাখা 'ফতহ স্কোয়াড'-এর তরফে এই অভিযান চালানো হয়। বালোচিস্তানের মাস্তুং জেলার খদকোচা এলাকায় পাক সেনা জওয়ানদের নিয়ে যাওয়া একটি বাসে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় বাসে থাকা অধিকাংশ সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের তরফেও হামলার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

বালোচিস্তানের মাস্তুং জেলার খদকোচা এলাকায় পাক সেনা জওয়ানদের নিয়ে যাওয়া একটি বাসে আত্মঘাতী হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় বাসে থাকা অধিকাংশ সেনা জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে।

সেখানে বলা হয়েছে, বিস্ফোরণের পর কনভয়ে থাকা বাকি বালোচ বিদ্রোহীদের সঙ্গে ব্যাপক গুলির লড়াই শুরু হয় বালচদের। দু'পক্ষের গুলির লড়াইয়ে আরও বেশ কয়েকজন পাকসেনার মৃত্যু ও বহু জওয়ান আহত হয়েছেন। বিদ্রোহীদের দাবি, শীঘ্রই এই হামলার ছবি ও ভিডিও তাদের তরফে প্রকাশ করা হবে। এদিকে ভয়ংকর এই হামলা নিয়ে মুখে কুলুপ এটেছে ইসলামাবাদ। সেনা কনভয়ে হামলার কথা স্বীকার করলেও হতাহতের বিষয়ে কিছুই জানানো হয়নি। হামলার পর কোয়েটার একাধিক হাসপাতালে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, বালোচিস্তানের পাকিস্তানি শাসনের শৃঙ্খল ভেঙে ফেলতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই করছে বালোচ লিবারেশন আর্মি। বিরাট সেনাবল নিয়ে লড়াইয়ে নেমেও এই অঞ্চলে রীতিমতো নাকানি চোবানি খেতে হচ্ছে পাক সেনাকে। এই অবস্থায় পালটা গুমখুন, হত্যা ও ধর্ষণের মতো অমানুষিক অত্যাচার চালিয়ে বিদ্রোহের আগুন নেভানোর চেষ্টা করছে ইসলামাবাদ। বিশেষ করে চিন-পাকিস্তান অর্থনৈতিক করিডর তৈরি হওয়ার পর থেকেই আরও অশান্ত হয়ে উঠেছে বালোচিস্তান। অভিযোগ, খনিজ সমৃদ্ধ প্রদেশটিকে কার্যত লুট করছে পাক প্রশাসন। প্রতিদানে বালোচ জনতা পেয়েছে শুধু নির্যাতন ও দারিদ্র। তারই প্রতিবাদে স্বাধীনতার মরণপণ লড়াইয়ে নামে সেখানকার মানুষ।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement