shono
Advertisement
PoK

অধিকৃত কাশ্মীরকে 'নরক' বানিয়েছে পাকিস্তান, রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি ব্রিটেনের সাংসদদের

অধিকৃত কাশ্মীরে ভয়ংকর নৃশংসতা চালাচ্ছে পাকিস্তান। বিদ্রোহ দমনের নামে সেখানে চলছে গণহত্যা। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লিখলেন ব্রিটেনের ৭০-এর বেশি সাংসদ।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 05:46 PM Aug 23, 2026Updated: 05:46 PM Aug 23, 2026

অধিকৃত কাশ্মীরে ভয়ংকর নৃশংসতা চালাচ্ছে পাকিস্তান। বিদ্রোহ দমনের নামে সেখানে চলছে গণহত্যা। গুরুতর এই পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রসংঘের হস্তক্ষেপ চেয়ে চিঠি লিখলেন ব্রিটেনের ৭০-এর বেশি সাংসদ। রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেসকে লেখা এই চিঠিতে আবেদন জানানো হয়েছে, পাকিস্তানের সেনাবাহিনীর তরফে অধিকৃত কাশ্মীরে যে গণহত্যা চলছে তা অবিলম্বে বন্ধ করতে পদক্ষেপ করা হোক। এখন স্থানীয় জনগণের নিরাপত্তার উদ্যোগ নেওয়া হোক।

Advertisement

রাষ্ট্রসংঘের মহাসচিবকে লেখা চিঠিতে ব্রিটিশ সাংসদদের তরফে বলা হয়েছে, গত কয়েকমাসে অধিকৃত কাশ্মীরে রাষ্ট্রের ইন্ধনে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, ইন্টারনেট পরিষেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে। শুধু তাই নয়, নিত্যপ্রয়োজনীয় সরবরাহ ব্যাহত ওই অঞ্চলে। মানুষের শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক মত প্রকাশের অধিকারের উপর যেভাবে দমন পীড়ন চলছে তা গভীর উদ্বেগের। সাংসদরা লিখেছেন, "ওই অঞ্চলে থাকা ব্রিটিশ কাশ্মিরীদের থেকেও ধারাবাহিকভাবে আমরা শুনছি নির্যাতনের কথা। বহু মানুষ ওই অঞ্চলে থাকা আত্মীয়স্বজন ও প্রিয়জনদের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে উদ্বিগ্ন।" এই পরিস্থিতিতে অধিকৃত কাশ্মীরে শান্তি প্রতিষ্ঠায় কড়া পদক্ষেপের আর্জি জানানো হয়েছে ব্রিটিশ সাংসদদের তরফে।

চিঠিতে ব্রিটিশ সাংসদদের তরফে বলা হয়েছে, গত কয়েকমাসে অধিকৃত কাশ্মীরে রাষ্ট্রের ইন্ধনে বহু মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, ইন্টারনেট পরিষেবা ও যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন করে নির্বিচারে গ্রেপ্তার করা হচ্ছে।

৩ দফা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে কার্যত অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েচেহ অধিকৃত কাশ্মীরে। ব্যাপক হিংসার পাশাপাশি একাধিক জায়গায় ব্যালট পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। কার্যত যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হয় রাওয়ালকোট, কোটলির মতো এলাকাগুলি। গত প্রায় ২ মাস ধরে রাওয়ালকোটে বিক্ষোভ কর্মসূচি চালাচ্ছিল জয়েন্ট আওয়ামি অ্যাকশন কমিটি। এই বিক্ষোভ দমনে এলোপাথাড়ি গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে নিরাপত্তাবাহিনীর বিরুদ্ধে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, শান্তিপূর্ণ মিছিলে উপর অতর্কিতে গুলিবৃষ্টি শুরু করে পুলিশ। এই হামলায় অন্তত ৩০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। বহুমানুষ গুলিবিদ্ধ হয়ে মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন। এর পাশাপাশি গত কয়েক মাসে অধিকৃত কাশ্মীরে সেনার গুলিতে শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে দাবি।

অধিকৃত কাশ্মীরের এই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে ইতিমধ্যে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে রাষ্ট্রসংঘের মানবাধিকার কমিশন। হাই কমিশনার ভলকার তুর্ক বিক্ষোভকারীদের মৃত্যু এবং যৌথ আওয়ামি অ্যাকশন কমিটির ওপর পাকিস্তানের নিষেধাজ্ঞা ও নেতাদের গ্রেপ্তারের ঘটনায় নিরপেক্ষ ও পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্তের আবেদন জানিয়েছেন। ইন্টারনেট ব্যবহার ও জনসমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা, মত প্রকাশের অধিকার লঙ্ঘিত হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি। অধিকৃত কাশ্মীরের পাক রেঞ্জার্সদের নৃশংসতার বিরুদ্ধে এবার সোচ্চার হল ব্রিটেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement