ভেনেজুয়েলা, ইরানের পর আমেরিকার রোষানলে আরও এক দেশ! তেহরানকে দুরমুশ করার মাঝেই এবার কিউবার উদ্দেশে ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা ডোনাল্ড ট্রাম্পের। জানালেন, আপাতত আমেরিকার লক্ষ্য ইরান যুদ্ধ শেষ করা। তারপর আমেরিকার নজর কিউবার দিকে ঘুরতে পারে বলে জানালেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউস থেকে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এহেন বার্তার পর আরও এক যুদ্ধের সিঁদুরে মেঘ দেখছে কূটনৈতিক মহল।
হোয়াইট হাউসে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ট্রাম্প বলেন, "আমরা প্রথমে এই যুদ্ধ শেষ করতে চাই। তারপর কিউবার বিষয়টি সামনে আসতে দেরি হবে না। অল্প সময়ের মধ্যেই আপনারা এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ কিউবায় ফিরে যেতে পারবেন।" আপাতত ইরান যে আমেরিকার মূল লক্ষ্য সেটা স্পষ্ট করতে ভোলেননি ট্রাম্প। মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, ফিদেল কাস্ত্রোর দেশ কিউবা আমেরিকার সঙ্গে আলোচনা চাইছে। তাঁর কথায়, "কিউবা আমেরিকার সঙ্গে চুক্তি করতে মরিয়া হয়ে উঠেছে।" অনেক কিউবান-আমেরিকান ফের নিজেদের দ্বীপে ফিরে যাবেন বলে আশাবাদী ট্রাম্প। বলেন, "আমরা চাই আপনারা ফিরে আসুন। আমরা আপনাদের হারাতে চাই না।"
ট্রাম্প বলেন, "আমরা প্রথমে এই যুদ্ধ শেষ করতে চাই। তারপর কিউবার বিষয়টি সামনে আসতে দেরি হবে না। অল্প সময়ের মধ্যেই আপনারা এবং অসংখ্য সাধারণ মানুষ কিউবায় ফিরে যেতে পারবেন।"
উল্লেখ্য, আমেরিকার জ্বালানি অবরোধের জেরে বর্তমানে নাজেহাল অবস্থা কমিউনিস্ট দেশ কিউবার। এতদিন দেশটির চাহিদার বেশিরভাগ তেল সরবরাহ করত ভেনেজুয়েলা। তবে নিকোলাস মাদুরকে আমেরিকা গ্রেপ্তার করার পর কিউবার অর্থনীতির বেসামাল দশা। রিপোর্ট বলছে গত ৯ জানুয়ারি থেকে কিউবায় কোনও তেল আমদানি হয়নি। জ্বালানির ঘাটতি চরম আকার নিয়েছে। অর্থনীতির বেহাল অবস্থার মাঝেই কিউবার বিরুদ্ধে ট্রাম্প আরও কঠোর হতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
প্রসঙ্গত, ওবামা প্রেসিডেন্ট থাকাকালীন কিউবার সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির চেষ্টা করেছিলেন। তবে ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর সমস্ত ক্ষেত্রে কিউবার উপর নতুন করে বিধিনিষেধ জারি করা হয়। সন্ত্রাসবাদের রাষ্ট্রীয় পৃষ্টপোষকদের তালিকায় যুক্ত করা হয় কিউবাকে। অভিযোগ তোলা হয় কমিউনিস্ট ও আমেরিকা বিরোধী গোষ্ঠীকে আশ্রয় দিচ্ছে আমেরিকা। ট্রাম্পের আরও অভিযোগ, কিউবাভেনেজুয়েলা সরকারকে রাজনৈতিক ও নিরাপত্তা দেয়।
