shono
Advertisement
Donald Trump

‘সুপ্রিম’ রায়ের পরও নাছোড়! আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে নয়া পদক্ষেপের পথে ক্ষুব্ধ ট্রাম্প

মার্কিন আইনে জন্মসূত্রের নাগরিকত্বকে বলা হয় ‘জুস সোলি’। এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হল ‘মাটির অধিকার’। আমেরিকার সংবিধানে বলা হয়েছে, সেখানে জন্ম নেওয়া প্রতিটা শিশুকে স্বাভাবিক ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে।
Published By: Subhodeep MullickPosted: 05:58 PM Jul 01, 2026Updated: 05:58 PM Jul 01, 2026

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ধাক্কা দিয়ে আমেরিকায় জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বহাল রেখেছে সে দেশের সুপ্রিম কোর্ট। এরপরই ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প। তাঁর বক্তব্য, এই রায় আমেরিকার জন্য খুব খারাপ। শুধু তাই নয়, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব বন্ধ করতে এবার নয়া পদক্ষেপের কথাও ঘোষণা করছেন তিনি। 

Advertisement

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের রায়ের পরই সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে একটি পোস্ট করেন ট্রাম্প। সেখানে তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্ট জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের বিষয়টি বহাল রেখেছে। এটি আমাদের দেশের জন্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তবে কংগ্রেসে আমরা আইন প্রণয়ন করে সহজেই এর সমাধান করতে পারি।” তিনি আরও বলেন, "এই পদক্ষেপের জন্য দীর্ঘ ও জটিল কোনও সাংবিধান সংশোধনীর প্রয়োজন নেই। জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব অত্যন্ত ব্যয়বহুল এবং আমাদের দেশের জন্য তা অন্যায্য। এটি বন্ধ করতে কংগ্রেসের উচিত আজই কাজ শুরু করা। এ বিষয়ে তারা আমার পূর্ণ সমর্থন পাবে।”

দ্বিতীয়বার হোয়াইট হাউসের প্রবেশের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সে দেশের নাগরিকত্ব সংক্রান্ত ১৫৬ বছরের পুরনো আইন বদলানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছিলেন ট্রাম্প। শুধু তাই নয়, এই সংক্রান্ত এক সরকারি নির্দেশনামায় স্বাক্ষরও করেন তিনি। কিন্তু মঙ্গলবার আমেরিকার সুপ্রিম কোর্টে জোর ধাক্কা খেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। জন্মসূত্রে নাগরিকত্বের দেড়শো বছরের পুরনো নিয়মই বহাল রেখেছে আদালত।  

মার্কিন আইনে জন্মসূত্রের নাগরিকত্বকে বলা হয় ‘জুস সোলি’। এটি প্রকৃতপক্ষে একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ হল ‘মাটির অধিকার’। আমেরিকার সংবিধানে বলা হয়েছে, সেখানে জন্ম নেওয়া প্রতিটা শিশুকে স্বাভাবিক ভাবে নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। এমনকী শিশুটির মা-বাবা অন্য দেশের নাগরিক হলেও সে জন্মসূত্রে আমেরিকার নাগরিকত্বই পাবে। নাগরিকত্বের এই সাবেকি নীতির পরিবর্তন আনার উদ্যোগ ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক কর্মসূচির অংশ ছিল। তবে শুরু থেকেই এই আদেশের সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছিল।

এরপরই অভিবাসন অধিকারকর্মী, আইন বিশেষজ্ঞ এবং বেশ কয়েকটি মাার্কিন অঙ্গরাজ্য এই আদেশের বিরুদ্ধে আদালতের দ্বারস্থ হয়। তাদের দাবি ছিল, জন্মসূত্রে নাগরিকত্ব আমেরিকার সংবিধানের ১৪তম সংশোধনীর মাধ্যমে সুরক্ষিত একটি অধিকার, যা শুধু প্রেসিডেন্টের আদেশ দিয়ে পরিবর্তন করা সম্ভব নয়। তাঁদের এই দাবিকেই মান্যতা দিয়েছে আমেরিকার সর্বোচ্চ আদালত। 

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement