shono
Advertisement

Breaking News

Donald Trump

নাক খুঁটে টেবিলে লাগিয়েছে মাস্কের ছেলে! জানতে পেরেই এ কী করলেন ট্রাম্প?

প্রায় দেড়শো বছরের ওই ডেস্ক রীতিমতো ঐতিহ্যবাহী।
Published By: Biswadip DeyPosted: 12:38 PM Feb 22, 2025Updated: 12:38 PM Feb 22, 2025

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সদ্যই মার্কিন মসনদে প্রত্যাবর্তন করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। শপথ নেওয়ার মাসখানেরে মধ্যেই ওভাল অফিসের ঐতিহ্যবাহী রেজোলিউট ডেস্ক সরিয়ে নতুন বসাতে দেখা গেল তাঁকে। কেন? কারণটা বড়ই অদ্ভুত বলে মনে করা হচ্ছে। এর পিছনে রয়েছে ধনকুবের এলন মাস্কের ছোট্ট ছেলে এক্স (এই নামেই তাকে ডাকেন বাবা মাস্ক)! ব্যাপারটা কী? চার বছরের খুদে নাকি নাক খুঁটে মুছে দিয়েছিল ট্রাম্পের টেবিলে। আর তাতেই 'রোগজীবাণু-আতঙ্কে' ভোগা শূচিবায়ু ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছেন টেবিল বদলে দেওয়ার। যদিও এই বিষয়ে ওভাল অফিস বা খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিছুই বলেননি। কিন্তু আপাতত গুঞ্জন তুঙ্গে।

Advertisement

কয়েকদিন আগেই ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে হোয়াইট হাউসে গিয়েছিলেন মাস্ক। সেই সময় ট্রাম্প ও ছোট্ট ছেলেটির সাক্ষাতের নানা মুহূর্ত নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে। এমনকী, টেবিলে এক্সের নাক মোছার ছবিও। ট্রাম্প সেই সময় তার প্রশংসা করে বলেন, ''এর নাম এক্স। এ এক দারুণ ছেলে। আই কিউ অত্যন্ত বেশি।'' তবে সেই সময়ই জানা যায়, এক্স নাকি বারবার জোরে জোরে নাক টানছিল ট্রাম্পের কাছে দাঁড়িয়ে। এরপরই ওই ডেস্ক আচমকা বদলে ফেলার নির্দেশ দিয়েছেন ট্রাম্প। ফলে 'দুইয়ে দুইয়ে চার' করে ফেলছেন নেটিজেনরা।

প্রসঙ্গত, ১৮৮০ সালে মহারানি ভিক্টোরিয়া 'বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যে'র প্রতীক হিসেবে ওই রেজোলিউট ডেস্ক উপহার দিয়েছিলেন তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট রাদারফোর্ড বি হায়েসকে। হোয়াইট হাউস সূত্রে জানা যায়, সেই থেকে প্রায় প্রত্যেক মার্কিন প্রেসিডেন্টই এই ডেস্ক ব্যবহার করেছেন। তবে ১৯৬৪ থেকে ১৯৭৭ পর্যন্ত তা ব্যবহার করা হয়নি। ১৯৬১ সালে ওভাল অফিসে এই ডেস্ক আনা হয় তৎকালীন প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির অনুরোধে। সেই ডেস্ক এবার সরানো হল ট্রাম্পের নির্দেশে।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
  • এলন মাস্কের চার বছরের ছেলে নাকি নাক খুঁটে মুছে দিয়েছিল ট্রাম্পের টেবিলে।
  • আর তাতেই 'রোগজীবাণু-আতঙ্কে' ভোগা শূচিবায়ু ট্রাম্প নির্দেশ দিয়েছেন টেবিল বদলে দেওয়ার।
  • যদিও এই বিষয়ে ওভাল অফিস বা খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট কিছুই বলেননি। কিন্তু আপাতত গুঞ্জন তুঙ্গে।
Advertisement