shono
Advertisement
Donald Trump

ট্রাম্পের সঙ্গে ৯০ মিনিট ফোনালাপ পুতিনের, মস্কো আসার আমন্ত্রণ, অবশেষে থামছে ইউক্রেন যুদ্ধ?

পুতিন এই যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে বিশদে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। এবং কূটনৈতিক উপায়ে যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার অগ্রাধিকারের কথাও বলেন।
Published By: Amit Kumar DasPosted: 04:52 PM Jul 05, 2026Updated: 05:01 PM Jul 05, 2026

৪ বছর পার হলেও এখনও যুদ্ধ জারি রয়েছে রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে। ভয়ংকর এই যুদ্ধ থামাতেই এবার সক্রিয় হয়ে উঠলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। আলাদাভাবে তিনি কথা বললেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গে। রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের কথোপকথনের এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে ক্রেমলিন। যেখানে বলা হয়েছে, ৯০ মিনিটের এই ফোনালাপে যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে বিশদ আলোচনা হয়েছে দু'জনের। পাশাপাশি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে মস্কোয় আমন্ত্রণও জানান পুতিন।

Advertisement

ট্রাম্পের বিদেশ দপ্তরের উপদেষ্টা ইউরি উশাকভ বলেন, আগামী ৭-৮ জুলাই তুরস্কে হতে চলেছে ন্যাটো সম্মেলন। সেই সম্মেলনকে মাথায় রেখে ইউক্রেন চুক্তি নিয়ে ৪ জুলাই আলোচনা হয় দুই নেতার। ফোনে দ্রুত যুদ্ধবিরতির ও যাবতীয় সমস্যার কূটনৈতিক সমাধানের কথা জানান ট্রাম্প। পাশাপাশি পুতিন এই যুদ্ধের বর্তমান পরিস্থিতি বিশদে জানান মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। এবং কূটনৈতিক উপায়ে যুদ্ধ থামাতে রাশিয়ার অগ্রাধিকারের কথাও বলেন। ৯০ মিনিট কথা হয় দু'জনের। এই ফোনালাপে ট্রাম্পকে আমেরিকার স্বাধীনতা দিবসের শুভেচ্ছাও জানিয়েছেন পুতিন।

রুশ প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ট্রাম্পের কথোপকথনের এই তথ্য প্রকাশ্যে এনেছে ক্রেমলিন। যেখানে বলা হয়েছে, ৯০ মিনিটের এই ফোনালাপে যুদ্ধ থামানোর লক্ষ্যে বিশদ আলোচনা হয়েছে দু'জনের।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর, পুতিনের পর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কির সঙ্গেও কথা হয় ট্রাম্পের। এই ফোনালাপে যুদ্ধক্ষেত্রের বর্তমান পরিস্থিতি ও চলমান কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে বিশদে আলোচনা করেন দুই রাষ্ট্রনেতা। জেলেনস্কি টেলিগ্রামে লিখেছেন, খুব ভালো আলোচনাটি হয়েছে। এই যুদ্ধে দাড়ি টানার একটি সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এবং এতে আমেরিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। ন্যাটো সম্মেলনের সময় এই বিষয়ে আরও আলোচনা করতেও সম্মত হয়েছেন তাঁরা।

ক্রেমলিন সূত্রে জানা যাচ্ছে, ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন দূত স্টিভ উইটকফ এবং জ্যারেড কুশনার মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে একটি সমঝোতায় পৌঁছতে মধ্যস্থতার কাজ করবেন। প্রয়োজনে এই দূতেরা মস্কো সফরের জন্যও প্রস্তুত। আলোচনা চলাকালীন পুতিন ইরান সংকটে মার্কিন কূটনীতির ভূমিকার প্রশংসাও করেন এবং আশা প্রকাশ করেন এর মাধ্যমে দু'তরফের মধ্যে লাভজনক দীর্ঘমেয়াদী সমাধান বের হবে। পুতিন ট্রাম্পকে মস্কো সফরের আমন্ত্রণও পুনর্ব্যক্ত করেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement