shono
Advertisement
Donald Trump

খুন করবে ইরান! প্রাণ বাঁচাতে খাবারের গাড়িতে লুকোন ট্রাম্প, ফাঁস 'পালানো'র কাহিনি

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুনের ছক কষছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সময় থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে এমন খবর ছড়াচ্ছে। সেই খবর শুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি খাবারের গাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন!
Published By: Anwesha AdhikaryPosted: 12:04 PM Aug 11, 2026Updated: 03:09 PM Aug 11, 2026

মার্কিন প্রেসিডেন্টকে খুনের ছক কষছে ইরান। মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের সময় থেকেই ডোনাল্ড ট্রাম্পকে ঘিরে এমন খবর ছড়াচ্ছে। সেই খবর শুনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি খাবারের গাড়িতে আশ্রয় নিয়েছেন! এমনটাই দাবি করেছে আমেরিকার বিখ্যাত সংবাদপত্র দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট। তাদের দাবি, ইরানের হুমকি পেয়ে রাতারাতি বিমান বদল করতে হয় মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। তিনি উঠে পড়েন খাবারের গাড়িতেও।

Advertisement

ঘটনাটি ঘটেছে গত মাসে ন্যাটোর সম্মেলন চলাকালীন। তুরস্কের রাজধানী আঙ্কারায় বৈঠকে যোগ দিতে গিয়েছিলেন ট্রাম্প (Donald Trump)। ওই সম্মেলনের জন্য কাতারের রাজপরিবারের উপহার দেওয়া বিমানে চেপেছিলেন। ওই বিমানে চেপেই তাঁর ফেরার কথা ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে দেখা যায়, পুরনো এয়ার ফোর্স ওয়ানে চেপেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। যদিও শেষ পর্যন্ত ওই বিমানেও যাত্রা করেননি ট্রাম্প। ক্যামেরার সামনে দেখা যায়, এয়ার ফোর্স ওয়ানে উঠছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সেখান থেকেই নাটকীয়তার শুরু। একেবারে গোপনে এয়ার ফোর্স ওয়ান থেকে নামিয়ে আনা হয় ট্রাম্পকে। চুপিসারে একটি খাবারের গাড়িতে বসিয়ে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় বিমানবন্দরের অন্যদিকে। সেখানে অপেক্ষা করছিল অপেক্ষাকৃত ছোট সি-৩২এ সামরিক বিমান। শেষ পর্যন্ত ওই বিমানে চেপে তুরস্ক ছাড়েন ট্রাম্প।

যে গাড়িতে ট্রাম্পকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, ওই গাড়িতে সাধারণত খাবার এবং অন্যান্য জিনিসপত্র নিয়ে যাওয়া হয়। বিমানের জিনিসপত্র ওঠানামায় কাজে লাগে এই গাড়ি। মার্কিন প্রেসিডেন্ট যে বিমান থেকে নেমে ওই গাড়িতে চেপে চলে গিয়েছেন, অধিকাংশ কর্তা এবং সাংবাদিক সেটা বুঝতেও পারেননি। একটি ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, দরজার উলটো দিকে বিমানের গা ঘেঁষে একটি গাড়ি দাঁড়িয়ে রয়েছে। ওই গাড়িতে চেপেই বিমান বদল করেছেন ট্রাম্প, এমনটাই দাবি মার্কিন সংবাদপত্রের।

উল্লেখ্য, ন্যাটো সম্মেলনে বক্তৃতা দিতে গিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, “ইরানের নেতারা এখন আর কেউ নয়। আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পর আরেও এক দল নেতা এসেছিল। কিন্তু তারাও এখন আর কেউ নেই। মজার বিষয় হল আমিও হয়তো চলে যেতে পারি। কারণ, এখন আমি তাদের প্রধান লক্ষ্য। বিষয়টি সবারই জানা। তেহরানের তথাকথিত হিটলিস্ট বা হত্যার তালিকায় আমি প্রথম স্থানে।” এই কথা বলার পরই আবারও প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছিল ট্রাম্পকে। তাঁর বিমান লক্ষ্য করে হামলার সম্ভাবনা ছিল। সেকারণেই ছোট বিমানে করে পাড়ি দেন ট্রাম্প।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

হাইলাইটস

Highlights Heading
Advertisement