সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) বিরুদ্ধে এক মানহানির মামলায় হেরে গেলেন পর্ন তারকা স্টরমি ড্যানিয়েলস। ট্রাম্পের অ্যাটর্নিদের ১ লক্ষ ২১ হাজার মার্কিন ডলারেরও বেশি পরিমাণ অর্থ দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হল তাঁকে। ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশে ট্রাম্পের অ্যাটর্নিদের ৫ লক্ষ মার্কিন ডলার দিতে হয়েছে তাঁকে। এর মধ্যে যোগ হল আরও অর্থ দেওয়ার নির্দেশ। যার ফলে নিঃসন্দেহে আরও অস্বস্তিতে স্টরমি। উল্লেখ্য, ম্যানহাটন আদালতে ট্রাম্পের হাজিরার দিনই এই নির্দেশের মুখে পড়লেন পর্ন তারকা।
মঙ্গলবারই ফ্লোরিডা থেকে নিউ ইয়র্কে আসেন ট্রাম্প। ম্যানহাটন আদালতে আত্মসমর্পণ করতে এসে গ্রেপ্তার হতে হয় প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে। তাঁর বিরুদ্ধে রয়েছে ৩৪টি অভিযোগ। যদিও গ্রেপ্তারির কিছুক্ষণ পরে তিনি ছাড়া পেয়ে যান। উল্লেখ্য, আমেরিকার ইতিহাসে এর আগে কখনও কোনও প্রেসিডেন্টকে ফৌজদারি মামলার মুখোমুখি হতে হয়নি।
[আরও পড়ুন: ‘ওর কাশি আর বমি নিয়ে ঠাট্টা করতাম, বুঝিইনি ক্যানসারে ভুগছে’, যুবরাজের লড়াই নিয়ে স্মৃতিচারণ ভাজ্জির]
ট্রাম্পের সঙ্গে মানহানির মামলায় স্টরমির হারের সঙ্গে অবশ্য ট্রাম্পের গ্রেপ্তারি ও তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলির সরাসরি কোনও যোগ নেই। কিন্তু দুই ক্ষেত্রেই স্টরমি জড়িত। প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ইতিমধ্যেই প্রার্থী হিসাবে নিজের নাম ঘোষণা করেছেন ট্রাম্প। তারপরেই প্রকাশ্যে আসে পর্ন তারকা স্টরমিকে ঘুষ দেওয়ার অভিযোগ। পর্নতারকা স্টরমির সঙ্গে আগে প্রণয়ের সম্পর্ক ছিল ট্রাম্পের। পরে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলেন পর্নতারকা। তিনি যাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে মুখ না খোলেন, তার জন্য আইনজীবী মারফত ১ লক্ষ ৩০ হাজার ডলার পাঠানো হয়েছিল। ট্রাম্প নিজেই ওই অর্থ পাঠিয়েছিলেন বলে অভিযোগ।
