সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী বছরের শুরুতেই ভারতে আসতে পারেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বিদেশ সচিব মার্কো রুবিও এমনই আশা প্রকাশ করেছেন। সেই সঙ্গেই তিনি জানিয়েছেন, ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ব্যক্তিগত সম্পর্ক অত্যন্ত 'চমৎকার'।
ওয়াশিংটন ডিসিতে সংবাদ সংস্থা আইএএনএসের সঙ্গে কথা বলার সময় এই বছরের শেষে নয়াদিল্লির প্রস্তুতি দেখতে আসবেন তিনি। মার্কো জানিয়েছেন, ''আগামী বছরের শুরুর দিকে প্রেসিডেন্টের ভারতে আসার বিষয়টি নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমার মতে, এটা অত্যন্ত ইতিবাচক একটি বিষয়। ভারত আমেরিকার অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ অংশীদার। তাছাড়া প্রধানমন্ত্রী ও প্রেসিডেন্টের মধ্যের সম্পর্কও অত্যন্ত নিবিড়, যা কূটনীতির ক্ষেত্রে সত্যিই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।''
ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকেই পার্শ্ববৈঠকে মুখোমুখি হন ট্রাম্প ও মোদি। সেই সম্মেলনের এক পর্যায়ে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দাবি করেন, মোদি শান্ত ও স্থিতধী। তাই ট্রাম্পকে নয়, সকলের নজর থাকুক মোদির দিকেই। তাঁকে বলতে শোনা যায়, ''প্রধানমন্ত্রী মোদি যেমন শান্ত, স্থিতধী এবং অত্যন্ত দক্ষ ও কঠোর— আমি কিন্তু তেমন নই। ওঁর দিকেই তাকান আপনারা।''
ফ্রান্সে আয়োজিত জি-৭ সম্মেলনের ফাঁকেই পার্শ্ববৈঠকে মুখোমুখি হন ট্রাম্প ও মোদি। সেই সম্মেলনের এক পর্যায়ে মোদির ভূয়সী প্রশংসা করেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। দাবি করেন, মোদি শান্ত ও স্থিতধী।
উল্লেখ্য, এর আগে শেষবার ট্রাম্প ভারতে এসেছিলেন ২০২০ সালে। পরবর্তী সময়ে তাঁকে হারিয়ে মার্কিন মসনদে বসেন জো বাইডেন। কিন্তু ফের ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হয় ট্রাম্পের দ্বিতীয় ইনিংস। আর ক্ষমতায় প্রত্যাবর্তনের পরই তাঁর 'শুল্কবোমা'য় অস্বস্তি বাড়ে ভারতের। প্রশ্ন ওঠে, ট্রাম্পের আমেরিকার সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি কেন? এহেন পরিস্থিতিতে এখনও হয়নি বাণিজ্য চুক্তিও। এবার কি বরফ গলবে? আপাতত সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।
