নিরাপত্তায় বড়সড় গলদ। ওয়াশিংটনে মার্কিন বিদেশসচিব মার্কো রুবিও-র বাসভবনের সামনে দেখা মিলল ‘রহস্যময়’ ড্রোনের। যু্দ্ধ আবহে এই ধরনের ঘটনায় স্বাভাবিকভাবেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি মার্কিন বিদেশসচিবকে খুনের বড়সড় ষড়যন্ত্র করেছে ইরান?
হোয়াইট হাউস থেকে ২ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মার্কিন সেনাঘাঁটি ‘ম্যাকনায়ার বেস’। সেখানেই রয়েছে রুবিও (Marco Rubio)-র বাসভবন। পাশাপাশি, রয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব পিট হেগসেথেরও বাসভবন। স্থানীয় সময় বুধবার রাতে সেখানেই একাধিক ‘রহস্যময়’ ড্রোনের দেখা মেলে। কিন্তু সেগুলি ধ্বংস করার আগেই উড়ে যায়। কোথা থেকে এই ড্রোনগুলি এসেছিল, তা এখনও জানা যায়নি। ইতিমধ্যেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে মার্কিন প্রশাসন। গোটা ঘটনায় উদ্বিগ্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও। ইতিমধ্যেই তিনি একটি উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকের ডাক দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। যদিও ট্রাম্প প্রশাসনের তরফে বিষয়টি নিয়ে এখনও পর্যন্ত কোনও বিবৃতি জারি করা হয়নি। পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল বলেন, “নিরাপত্তাজনিত কারণে বিষয়টি নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাই না।”
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রিয়ারি ইরানের মাটিতে যৌথ হামলা চালায় আমেরিকা ও ইজরায়েল। কার্যত তছনছ হয়ে গিয়েছে তেহরান-সহ ইরানের একাধিক অঞ্চল। হামলায় মৃত্যু হয়েছে আয়াতোল্লা আলি খামেনেইর। জবাবে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে ছড়িয়ে থাকা আমেরিকার একাধিক সেনাঘাঁটি ও ইজরায়েলে হামলা চালাচ্ছে ইরান। কুয়েত, বাহরিন, ওমান, জর্ডন, ইরাক, সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, সৌদি আরব, সিরিয়া, তুরস্কের উপর ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। এদিকে ইরানেও লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজরায়েল। ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে একে একে নিকেশ করছে তারা। এই পরিস্থিতিতে ওয়াশিংটনে মার্কিন বিদেশ এবং প্রতিরক্ষা সচিবের বাসভবনের সামনে ড্রোন দেখা মেলায় রীতিমতো চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।
