পশ্চিম এশিয়ায় চলমান যুদ্ধের মাঝেই বিস্ফোরক দাবি ইরানের। দাবি করা হচ্ছে, আমেরিকায় ফের ৯/১১-র মতো হামলা চালানো হতে পারে। এপস্টেইন গ্যাংয়ের ষড়যন্ত্রে এই হামলা চালিয়ে তার দায় ঠেলা হতে পারে ইরানের ঘাড়ে। সম্প্রতি এমনটাই জানিয়েছেন, ইরানের জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান আলি লারিজানি। এই তথ্য সামনে আসার পর শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিশ্ব রাজনীতিতে।
রবিবার সোশাল মিডিয়ায় এই ষড়যন্ত্র তুলে ধরেন প্রয়াত সুপ্রিম লিডারের উপদেষ্টা তথা নিরাপত্তা কাউন্সিলের প্রধান লারিজানি। তিনি লেখেন, 'আমি শুনেছি এপস্টেইন নেটওয়ার্কের জীবিত সদস্যরা ৯/১১-র মতো হামলার পরিকল্পনা করছে। এই ষড়যন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য হল হামলার দায় ইরানের কাঁধে চাপানো। তবে ইরান এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র বিরোধী। এবং আমেরিকার সাধারণ জনগণের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত নয়।'
'আমি শুনেছি এপস্টেইন নেটওয়ার্কের জীবিত সদস্যরা ৯/১১-র মতো হামলার পরিকল্পনা করছে। এই ষড়যন্ত্রের মূল উদ্দেশ্য হল হামলার দায় ইরানের কাঁধে চাপানো। তবে ইরান এই ধরনের সন্ত্রাসী হামলার তীব্র বিরোধী। এবং আমেরিকার সাধারণ জনগণের সঙ্গে যুদ্ধে লিপ্ত নয়।'
উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া ইরান যুদ্ধে এখনও পর্যন্ত হাজারেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শনিবার ভোরে খার্গ দ্বীপে হামলা চালায় আমেরিকা। একে ‘মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসের সর্বকালের অন্যতম ভয়ংকর বোমাবর্ষণ’ বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি আরও দাবি করেছেন, আমেরিকার হামলায় সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গিয়েছে এই দ্বীপ। রবিবার মার্কিন সংবাদমাধ্যমে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প বলেন, “মজার ছলে আমরা খার্গ দ্বীপে আবার হামলা চালাতে পারি।” অন্যদিকে যুদ্ধে প্রত্যাঘাতের পাশাপাশি ইরানের রণনীতি বিশ্বের তৈল ধমনী হরমুজকে বন্ধ করে আমেরিকাকে চাপে ফেলা।
গুরুতর এই পরিস্থিতির মাঝে ইরানকে তছনছ করার ছুতো খুঁজতে আমেরিকার ভয়ংকর ষড়যন্ত্রের আভাস দিলেন লারিজানি। প্রসঙ্গত, ইরান বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে লারিজানি লাগাতার আমেরিকা এবং রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানিয়ে আসছেন। ট্রাম্পকে এপস্টেইনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলে অভিযোগ করেছেন তিনি। বলেছিলেন, ইরানের নেতারা দেশের জনগণের সঙ্গে তাঁদের হৃদয়ে থাকেন, অন্যদিকে আমেরিকার নেতারা থাকেবন এপস্টেইন দ্বীপে।
