সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পাঁচ বছরের কারাদণ্ডের সাজা শোনানো হয়েছিল আগেই। মঙ্গলবার থেকে শুরু হল ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজির হাজতবাস। প্যারিসের লা সান্তে কারাগারে রয়েছেন তিনি। এদিন তাঁকে কারাগারে নিয়ে যাওয়ার সময় বহু সমর্থককে দেখা যায় তাঁর বাড়ির সামনে উপস্থিত থাকতে। তিনি সকলের উদ্দেশে হাত নাড়ছিলেন।
জেলে তাঁকে নিয়ে যাওয়ার সময় তাঁকে দেখা যায়, বহু মোটরবাইক ও গাড়ি সারকোজির গাড়িকে ঘিরে রেখেছে। তাঁকে এমন মন্তব্যও করতে দেখা যায়, ''নিরপরাধ মানুষকে বন্দি করা হচ্ছে।'' প্রসঙ্গত, নির্বাচনী প্রচারের জন্য লিবিয়া থেকে বেআইনি ভাবে তহবিল সংগ্রহের অভিযোগ ছিল তাঁর বিরুদ্ধে। পরে তিনি দোষী সাব্যস্ত হন। প্রাক্তন ফরাসি প্রেসিডেন্টকে এ বার বিচ্ছিন্ন ভাবেই দিন কাটাতে হবে। তাঁকে সম্পূর্ণ একা একটি সেলে থাকতে হবে। এমনকী, ব্যায়ামের সময়ও তাঁকে একলাই ব্যায়াম করতে যেতে হবে বলেও জানা যাচ্ছে। সারকোজি অবশ্য জানিয়েছেন, ''আমি কারাগারকে ভয় পাই না। জেলের অন্দরেও আমি মাথা উঁচু করেই রাখব।'' উল্লেখ্য, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী সময়ে নাৎসি সহযোগী মার্শাল ফিলিপ পেতাঁই ছিলেন প্রথম প্রাক্তন ফরাসি প্রেসিডেন্ট যাঁকে জেলে যেতে হয়েছিল। সারকোজি এই তালিকায় দ্বিতীয় প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট।
২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের প্রেসিডেন্টেরর দায়িত্ব সামলানো সারকোজির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল। একটি মামলা সম্পর্কে গোপন তথ্য জানতে এক বিচারককে মোনাকোয় উঁচু পদ দিয়েছিলেন। ২০০৭ সালে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রচারের সময় ব্যয় সংক্রান্ত একটি মামলা চলছিল সারকোজির বিরুদ্ধে। সেই মামলা সম্পর্কে অভ্যন্তরীণ তথ্য জানতে গিলবার্ট আজিবার্টকে আরও উঁচু পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন।২০০৭ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব সামলানো সারকোজির বিরুদ্ধে ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগ উঠেছিল।
