ছবি তোলার জন্য ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি বারবার জোরাজুরি করছিলেন। কিন্তু আমি বারণ করেছিলাম। ফের এমনটাই দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একইসঙ্গে ইরান প্রসঙ্গ টেনে কটাক্ষও করলেন তিনি।
শনিবার সমাজমাধ্যম ট্রুথ সোশালে ট্রাম্প লেখেন, ‘ইটালিতে মেলোনির জনপ্রিয়তা তলানিতে ঠেকেছে। তাই জি৭-এর মঞ্চে নিজের জনপ্রিয়তা বাড়াতে বারবার আমার সঙ্গে ছবি তোলার আর্জি জানিয়েছিলেন।’ তিনি আরও লেখেন, ‘ইরানকে পরমাণু অস্ত্র অর্জন বা তৈরির সুযোগ থেকে বিরত রাখার বিষয়ে মেলোনি আমেরিকার অবস্থানকে সমর্থন করেননি। অথচ আমেরিকা এমন একটি দেশ, যারা সত্যিই ইটালিকে ভালোবাসে এবং সুরক্ষা দেয়। এই কারণেই তাঁর জনপ্রিয়তা হ্রাস পেয়েছে।' ট্রাম্প আরও বলেন, “ইটালি আমেরিকারকে তাদের সামরিক ঘাঁটি ব্যবহারেও অনুমতি দেয়নি। ফলে ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে সমস্যার মুখে পড়েছিল ওয়াশিংটন।” মার্কিন প্রেসিডেন্টের দাবি, আমেরিকা এখন যখন ইরানকে সামরিকভাবে পরাজিত করেছে, তখন মেলোনি ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নতির চেষ্টা করেছিলেন।
প্রসঙ্গত, ছবি তোলা নিয়ে শুক্রবার একই দাবি করেছিলেন ট্রাম্প। বলেন, "জি-৭ সম্মেলনের সময় তাঁর সঙ্গে কথা বলতে পেরে মেলোনি সম্ভবত খুশিই হয়েছিলেন। উনি আমাকে ওঁর সঙ্গে ছবি তুলতেও অনুরোধ করেছিলেন। খুবই পীড়াপীড়িও করছিলেন। আমি ছবি তুলতাম না, কিন্তু আমার খারাপ লাগছিল।"
ট্রাম্পের এহেন মন্তব্যে মেজাজ হারান মেলোনিও। পালটা তিনি বলেন, "মার্কিন প্রেসিডেন্টের বক্তব্য পুরোটাই মিথ্যে। আমি সত্যিই বিস্মিত। আমি জানি না কেন, ট্রাম্প এমন আচরণ করেন মিত্রদের সঙ্গে! তবে এমন ঘটনা যে এই প্রথমবার, তা কিন্তু নয়। যদিও শত্রুদের ক্ষেত্রে তিনি একই রকম দৃঢ়তা দেখান না। বরং অনেক বেশি নমনীয় আচরণ করেন।''
