shono
Advertisement

বাজারের সস্তা ড্রোনেই কুপোকাত ইজরায়েলের ‘লৌহপ্রাচীর’! হামাসের কৌশলে চমক

ইউক্রেনীয় বাহিনীও এই ধরনের ছোট ড্রোন হামলা চালিয়েছে মস্কোর বিরুদ্ধে।
Posted: 04:58 PM Oct 12, 2023Updated: 04:58 PM Oct 12, 2023

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হামাসের আক্রমণে রক্তাক্ত ইজরায়েল। গাজা ভূখণ্ড থেকে লাগাতার রকেট হামলা চালাচ্ছে সুন্নি জঙ্গি সংগঠনটি। এর মধ্যেই জানা গেল, হামাস এমন এক রণকৌশল প্রয়োগ করেছিল যা অত্যন্ত বিরল। বিস্ফোরকবাহী ছোট ড্রোনের কেরামতি নিয়ে আলোচনা করছেন যুদ্ধ বিশারদরা।

Advertisement

গত শনিবার ভোর থেকে আক্রমণ শুরু করে হামাস। চলতে থাকে লাগাতার রকেট হামলা। পাশাপাশি প্যারাগ্লাইডার বাহিনীও ঢুকে পড়ে সীমান্তে। কিন্তু এরই সঙ্গে ইজরায়েলি ভূখণ্ডে ঢুকে পড়ে ছোট ড্রোনগুলিও। রাডারের নজরদারি এড়িয়ে হামলা চালায় তারা। সেখান থেকে হ্যান্ড গ্রেনেড ও মর্টার ছুড়ে মারতে থাকে লক্ষ্যে। কয়েকটি মেরকাভা ট্যাঙ্কও ধ্বংস করে সেগুলো। আর এর ফলে উপগ্রহ সংযোজক টাওয়ার ধ্বংস করে দিয়ে তারা রীতিমতো যোগাযোগ ছিন্ন করে দেয় ইজরায়েলি সেনার মধ্যে।

উল্লেখ্য, ইউক্রেন ও রাশিয়ার মধ্যে যুদ্ধে ইউক্রেনীয় বাহিনীও এই ধরনের ছোট ড্রোন নিয়ে হামলা চালিয়েছে। বলা হচ্ছে, এই ধরনের কৌশল খুবই কার্যকরী। এর দ্বারা শক্তিশালী বাহিনীকেও বড়সড় ধাক্কা দেওয়া সম্ভব।

[আরও পড়ুন: বিয়ে এবং সামাজিক অনুষ্ঠানের জন্য বদলে গেল রাজস্থানের ভোটের দিন! সিদ্ধান্ত কমিশনের]

এদিকে শনিবার হামাসের (Hamas) হামলা শুরুর পর ৩ লক্ষ ‘রিজার্ভ ফোর্স’ বা অতিরিক্ত বাহিনী জমায়েত করেছে তেল আভিভ। হাতিয়ার ও বিমানবাহী রণতরী পাঠিয়ে ইহুদি দেশটির পাশে দাঁড়িয়েছে আমেরিকা। সমর্থন জানিয়েছে ভারত, ব্রিটেন ও ফ্রান্সের মতো দেশগুলোও। প্রসঙ্গত, অতীতেও একাধিকবার ‘মাল্টিফ্রন্ট ওয়ার’ বা বহুমুখী যুদ্ধ করেছে ইজরায়েল (Israel)। ১৯৬৭ সালে ছ’দিনের যুদ্ধে মিশর, সিরিয়া ও জর্ডন-সহ আরব দেশগুলোকে কুপোকাত করে ইজরায়েল। ১৯৭৩ সালেও ইয়ম কিপুর যুদ্ধে আরব দেশগুলোকে পরাস্ত করে ইহুদি রাষ্ট্রটি।

[আরও পড়ুন: বিহারে ট্রেন দুর্ঘটনা, মৃত কমপক্ষে ৪, আহত বহু]

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ

Advertisement