প্রায় একমাস হতে চলল। যুদ্ধের আগুনে জ্বলছে মধ্যপ্রাচ্য। বিভিন্ন দেশে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতে হামলা চালাচ্ছে ইরান। এই পরিস্থিতিতে সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর রাজধানী আবু ধাবিতে আছড়ে পড়ল মিসাইল। সেই ধ্বংসাবশেষই কাড়ল এক ভারতীয়র প্রাণ। নিহত পাকিস্তানেরও এক নাগরিক। আহত হয়েছে জর্ডনের এক নাগরিক।
জানা গিয়েছে, জর্ডনের বিদেশ মন্ত্রক এই হামলাকে ইরানের হামলা বলে তোপ দেগেছে। নিন্দা করেছে এহেন হামলার। এই নিয়ে ওই দেশে তেহরানের হামলায় ১১ জনের মৃত্যু হল। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ৩ আরব সেনাকর্মী। প্রসঙ্গত, ইরানের সঙ্গে ইজরায়েল ও আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে জ্বালানি অবকাঠামো-সহ সংযুক্ত আরব আমিরশাহী জুড়ে ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র আছড়ে পড়েছে। মৃত্যুর পাশাপাশি বহু নির্মাণ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহীর রাজধানী আবু ধাবিতে আছড়ে পড়ল মিসাইল। সেই ধ্বংসাবশেষই কাড়ল এক ভারতীয়র প্রাণ। নিহত পাকিস্তানেরও এক নাগরিক। আহত হয়েছে জর্ডনের এক নাগরিক।
এদিকে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে ১৫ দফা শর্ত দিয়েছেন ট্রাম্প। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল হরমুজের তালা খোলা ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচির উপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সেই শান্তিপ্রস্তাব ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছে তেহরান। ট্রাম্পের বক্তব্য, মার্কিন-ইজরায়েল হামলায় বিপর্যস্ত ইরান। নিজেরাই আলোচনার জন্য ধরাধরি করছে। অথচ তারা মার্কিন শর্ত মেনে আলোচনায় রাজি হচ্ছে না। এটা ‘অদ্ভুত’ আচরণ।
মঙ্গলবার ট্রাম্প দাবি করেন, ইরান তাঁকে বিরাট উপহার পাঠিয়েছে। যুদ্ধবিরতির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে ওরা। আলোচনা সঠিক লোকেদের সঙ্গে চলছে বলেও জানান ট্রাম্প। এসবের মাঝেই সামনে এসেছে ১৫ দফা শর্ত। কিন্তু আমেরিকার এই ১৫ দফা শর্ত ইরান মানবে কি না, তা নিয়েই তৈরি হয়েছে ঘোর সংশয়। তবে সূত্রের খবর, ইরান পাঁচ বছরের জন্য় তাদের ব্যালেস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র নির্মাণের কর্মসূচি এবং ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা হ্রাস করার বিষয়টি বিবেচনা করছে। তবে শর্ত এবং পালটা শর্তে আপাতত জটিল হয়ে উঠেছে যুদ্ধ পরিস্থিতি। কবে যে যুদ্ধ থামবে তা পুরোটাই অন্ধকারে রয়েছে।
